Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
IPL 2026: টানা চতুর্থ হারে কোণঠাসা কেকেআর, ৩২ রানে ম্যাচ জিতল সিএসকে‘ভূত বাংলো’য় সেন্সর বোর্ডের কাঁচি! বাদ গেল ৬৩টি দৃশ্য, ছবির দৈর্ঘ্য কমতেই চিন্তায় অক্ষয়ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

দলগুলির আয়ের ৩৬ শতাংশই অজানা সূত্র, গোপন উপার্জনে বিজেপির চাইতে এগিয়ে কংগ্রেস

দ্য ওয়াল ব্যুরো: দেশের প্রথমসারির রাজনৈতিক দলগুলির (Political Parties) বার্ষিক আয়ের (Annual Income) ৩৬ শতাংশই অজানা সূত্র (Unknown Sorce) থেকে পাওয়া গিয়েছে। নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) কাছে পেশ করা বার্ষিক আয়ের হিসাবে এমনই

দলগুলির আয়ের ৩৬ শতাংশই অজানা সূত্র, গোপন উপার্জনে বিজেপির চাইতে এগিয়ে কংগ্রেস

শেষ আপডেট: 26 August 2022 09:29

দ্য ওয়াল ব্যুরো: দেশের প্রথমসারির রাজনৈতিক দলগুলির (Political Parties) বার্ষিক আয়ের (Annual Income) ৩৬ শতাংশই অজানা সূত্র (Unknown Sorce) থেকে পাওয়া গিয়েছে। নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) কাছে পেশ করা বার্ষিক আয়ের হিসাবে এমনই তথ্য পেশ করেছে বিজেপি, কংগ্রেস, তৃণমূল, সিপিএম, সিপিআই-সহ প্রথম সারির দলগুলি।

তবে আশ্চর্যের হল, ২০২০- ২০২১ আর্থিক বছরে অজানা সূত্র থেকে আয়ের ক্ষেত্রে কংগ্রেস এগিয়ে বিজেপির থেকে। সনিয়া গান্ধীর দলের অজানা সূত্র থেকে আয়ের পরিমাণ ছিল ১৭৮ কোটি টাকা। যা তাদের মোট আয়ের ৪১ শতাংশ। অন্যদিকে, বিজেপির আয়ের পরিমাণ ছিল ১০০ কোটি টাকা। যা তাদের মোট আয়ের ২৩ শতাংশ।

অজানা সূত্র বলতে বলা হচ্ছে, রাজনৈতিক দলগুলির মাথাপিছু চাঁদা, অনুদান যে সব ক্ষেত্রে ২০ হাজার টাকার কম। নির্বাচন কমিশনের চলতি নিয়ম হল, ২০ হাজার টাকা বা তার বেশি পরিমাণ চাঁদা দিলে তা চেক কিংবা অনলাইন মারফত দিতে হবে। এর চাইতে কম অঙ্কের টাকা চাঁদা, অনুদান দেওয়ার ক্ষেত্রে এই নিয়ম প্রযোজ্য হবে না।

দীর্ঘদিন ধরেই রাজনৈতিক অলগুলি এই খাটে মোটা অঙ্কের টাকা আয় দেখিয়ে থাকে। এই আয়ও গোপন রাখা যাবে না, সব তথ্য জনসাধারণ এবং নির্বাচন কমিশনকে জানাতে হবে বলে ২০১৩ সালে কেন্দ্রীয় তথ্য কমিশন রায় দিয়েছিল। কিন্তু কোনও দলই তাতে কর্ণপাত করেনি।

নির্বাচন কমিশনে জমা করা রাজনৈতিক দিকগুলির অডিট রিপোর্ট বিশ্লেষণ করে অ্যাসোসিয়েশন অফ ডেমোক্রেটিক রিফর্মস জানিয়েছে, ২০০৪-'০৫ থেকে ২০২০-'২১ আর্থিক বছরে অজানা সূত্র থেকে ১৫ হাজার কোটি টাকা আয় করেছে রাজনৈতিক দলগুলি। এরমধ্যে বিচিত্র দাবি হল বহুজন সমাজ পার্টির। তারা দাবি করেছে, তাদের আয়ের সমস্তটাই ছোট দান। অর্থাৎ একজনও ২০ হাজার টাকার বেশি পার্টিকে চাঁদা দেয়নি। ফলে তারা চাঁদা বা অনুদান দাতার একজনের নামও জানায়নি। তবে বিএসপির এটা নতুন কিছু নয়। বহুদিন ধরেই তারা এই দাবি করে আসছে।

এখন কংগ্রেস সহ বিরোধী দলগুলি দাবি করে আসছে, ইলেক্টোরাল বন্ড চালু হওয়ার পর বেশিরভাগ অর্থই জমা পড়ছে বিজেপির তহবিলে। বিরোধী দলগুলিকে আর্থিক সহায়তার জন্য ক্ষুদ্র দানের উপর নির্ভর করতে হচ্ছে। সেই কারণেই আয়ের বড় অংশকে অজানা সূত্র বলে উল্লেখ করতে হচ্ছে।

সুকান্ত বলেছিলেন, ‘হাকিম রেডি থাকুন’, অভিমানী ববির প্রশ্ন, ‘আপনি লিস্ট করছেন নাকি?’


```