দ্য ওয়াল ব্যুরো : প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর পর এনডিএ সরকারে তাঁরই গুরুত্ব সবচেয়ে বেশি। অনেকেই আশা করেছিলেন, এবার হয়তো বিজেপির সভাপতির পদটি ছাড়তে চলেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। পরবর্তী সভাপতি কে হতে পারেন, তা নিয়ে জল্পনাও শুরু হয়েছিল। বৃহস্পতিবার জানা গেল, আরও অন্তত ছ’মাস তিনি বিজেপির সভাপতি থাকছেন। তারপরে দলের অভ্যন্তরে নির্বাচন হবে। তখন নতুন সভাপতি নির্বাচিত হতে পারেন।
অবশ্য বিজেপি সূত্রের খবর, দলের অভ্যন্তরে নির্বাচন হলেও অমিত শাহই সভাপতি থেকে যেতে পারেন। আর কয়েকদিনের মধ্যে দলের শীর্ষ নেতৃত্ব আলোচনায় বসে সিদ্ধান্ত নেবেন, নতুন কাউকে সভাপতি করার প্রয়োজন আছে কিনা। দলের অভ্যন্তরে নির্বাচনের বিষয়ে আলোচনার জন্য বৃহস্পতিবার অমিত শাহ বিজেপির বিভিন্ন রাজ্য শাখার প্রধান ও সাধারণ সম্পাদকদের সঙ্গে কথা বলবেন। কবে ভোট হবে, ভোটের আগে দলের সদস্য সংখ্যা বাড়ানোর জন্য উদ্যোগ নেওয়া হবে কিনা, তা নিয়ে আলোচনা হবে। একইসঙ্গে বিহার ও উত্তরপ্রদেশে দলের নতুন সভাপতি নির্বাচন নিয়েও অমিত শাহ দলের বিভিন্ন পদাধিকারীদের সঙ্গে কথা বলবেন। ওই দুই রাজ্যে বিজেপি এবার আশাতীত ভালো ফল করেছে বলে মনে করা হচ্ছে।
একটি সূত্রে খবর, দলের অভ্যন্তরে নির্বাচন প্রক্রিয়া শেষ হতে সময় লাগতে পারে কয়েক মাস। দফায় দফায় অক্টোবর-নভেম্বর মাস পর্যন্ত নির্বাচন চলতে পারে। ৫৪ বছর বয়সী অমিত শাহ গত লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির বিপুল জয়ের অন্যতম কারিগর। তাঁর পরিকল্পনা মাফিক দল এবার ৩০০-র বেশি আসন পেয়েছে। যে রাজ্যগুলিতে বিজেপি দুর্বল, সেখানে সংগঠন বাড়ানোর ওপরে তিনি জোর দিয়েছিলেন।
আগামী কয়েক মাসের মধ্যে হরিয়ানা, ঝাড়খণ্ড ও মহারাষ্ট্রে ভোট হবে। তার আগে বিজেপির অনেক নেতা চান, অমিত শাহই সভাপতি থাকুন। বিজেপিতে প্রত্যেক সভাপতি তিন বছরের মেয়াদে নির্বাচিত হন। অমিত শাহের সভাপতি পদের মেয়াদ ফুরিয়েছে চলতি বছরের শুরুতে। দল তাঁকে বলেছিল, আপনি কাজ চালিয়ে যান।
আগামী রবিবার মহারাষ্ট্র, ঝাড়খণ্ড ও হরিয়ানার বিজেপি নেতাদের সঙ্গে আলোচনায় বসবেন অমিত শাহ। বিধানসভা নির্বাচনে দলের কৌশল কী হতে পারে, তা নিয়ে আলোচনা করবেন।