দ্য ওয়াল ব্যুরো : দীর্ঘদিন ধরেই শোনা যাচ্ছিল, বিজেপি সভাপতি অমিত শাহ এবার মন্ত্রী হতে পারেন। পাশাপাশি এমনও শোনা যাচ্ছিল, বিজেপিরই অনেকে চাইছেন না তিনি মন্ত্রী হন। কেননা চলতি বছরেই বেশ কয়েকটি রাজ্যে বিধানসভা ভোট আছে। তখন অমিত শাহকে দলের সংগঠনের দিকে পুরো মনোযোগ দিতে হবে। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী শপথ নেওয়ার কয়েক ঘণ্টা আগে নিশ্চিতভাবে জানা গেল, মন্ত্রী হচ্ছেন বিজেপির সভাপতি।
গুজরাতের বিজেপি সভাপতি জিতু ভাগানি এদিন টুইট করে জানিয়েছেন মোদীর মন্ত্রিসভায় থাকছেন অমিত শাহ। তিনি কী মন্ত্রক পাবেন এখনও জানা যায়নি। তবে একটি সূত্রের খবর, তিনি অর্থমন্ত্রকের দায়িত্ব পেতে পারেন। এর আগের এনডিএ সরকারে ওই পদে ছিলেন অরুণ জেটলি। কিন্তু অসুস্থতার কারণে তিনি এবার মন্ত্রী হবেন না বলে জানিয়েছেন। মোদী অবশ্য তাঁকে সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করতে অনুরোধ জানিয়েছিলেন। কিন্তু তিনি নিজের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসেননি। এর আগে অবশ্য এমনও শোনা গিয়েছিল, অমিত শাহ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হতে পারেন।
https://twitter.com/jitu_vaghani/status/1134050083278737408
বৃহস্পতিবার সকালে মোদীর সঙ্গে অমিত শাহের বৈঠক হয়। যে সাংসদরা মন্ত্রী হবেন, অমিত শাহই তাঁদের ফোন করে শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে আসতে বলেন। এবার যাঁরা মন্ত্রী হতে পারেন বলে শোনা যাচ্ছে, তাঁদের মধ্যে আছেন, স্মৃতি ইরানি, সদানন্দ গৌড়া, অর্জুন মেঘওয়াল, কিরেন রিজিজু, রবিশংকর প্রসাদ, পীযূষ গয়াল, প্রকাশ জাভড়েকর, রামদাস আথওয়ালে, জিতেন্দর সিং, সুরেশ আনগাড়ি, বাবুল সুপ্রিয়, দেবশ্রী চৌধুরি, কৈলাশ চৌধুরি, প্রহ্লাদ যোশি এবং জি কিষাণ রেড্ডি। সব মিলিয়ে ৪৪ জন মন্ত্রী শপথ নেবেন। প্রাক্তন বিদেশ সচিব এস জয়শংকরও মন্ত্রী হতে পারেন বলে জানা গিয়েছে।
২০১৪ সাল থেকে বিজেপির শীর্ষস্থানে আছেন অমিত শাহ। তাঁর নেতৃত্বে দল বেশ কয়েকটি নির্বাচনে চমকপ্রদ জয় পেয়েছে। এবার তিনি মন্ত্রী হলে দলের সভাপতি হিসাবে অন্য কাউকে ভাবা হতে পারে।
এবার যাঁরা মন্ত্রী হবেন, তাঁদের মধ্যে বিশেষ দায়িত্ব পেতে পারেন স্মৃতি ইরানি। তিনি নেহরু গান্ধী পরিবারের দুর্গ বলে পরিচিত অমেঠীতে কংগ্রেসের সভাপতি রাহুল গান্ধীকে পরাজিত করেছেন। বৃহস্পতিবার বিকালে মন্ত্রীরা প্রথমে মোদীর বাড়িতে যান। পরে সেখান থেকে তাঁরা শপথ নিতে যাবেন।