দ্য ওয়াল ব্যুরো : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হওয়ার পরে বৃহস্পতিবার প্রথমবার জম্মু-কাশ্মীরে গেলেন অমিত শাহ। সেখানে প্রথমেই তিনি গিয়েছেন জঙ্গি হানায় নিহত পুলিশকর্মীর বাড়িতে। তাঁর পাঁচ বছরের শিশুপুত্রের সঙ্গে দেখা করেছেন। পরে তিনি রাজ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতি ও উন্নয়নমূলক কর্মসূচি খতিয়ে দেখবেন।
নিহত পুলিশকর্মীর ছেলের নাম উবান খান। তার বাবার নাম ছিল আরশাদ আহমেদ খান। দক্ষিণ কাশ্মীরের অনন্তনাগে তিনি নিহত হন। নিহত পুলিশকর্মীর সমাধিতে মালা দেওয়ার সময় উবানকে কোলে নিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েছিলেন আর এক পুলিশকর্মী। সেই ছবিটি সোশ্যাল মিডিয়ায় হাজার হাজার শেয়ার হয়।
পরে অমিত শাহ টুইটারে ওই ছেলেটির পরিবারের সঙ্গে নিজের ছবি দিয়ে লিখেছেন, ওই পুলিশকর্মী দেশের নিরাপত্তার স্বার্থে জীবন উৎসর্গ করেছেন। তাঁর সাহসিকতার জন্য অনেকের প্রাণ রক্ষা পেয়েছে। সারা দেশ আরশাদ খানের বীরত্বের জন্য গর্বিত।
https://twitter.com/AmitShah/status/1144106925468069888
৩৭ বছরের আরশাদ খান ছিলেন স্টেশন হাউস অফিসার। ১২ জুন জঙ্গিরা সিআরপিএফের একটি টহলদার বাহিনীকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়, গ্রেনেড ছোঁড়ে। পাঁচ সিআরপিএফ কর্মী নিহত হন। আক্রমণের সময় আরশাদ খান তাঁর বুলেটপ্রুফ গাড়ি থেকে নেমে আসেন। তিনি রাইফেল নিয়ে জঙ্গিদের পালটা আক্রমণ করতে যাচ্ছিলেন। কিন্তু গাড়ি থেকে নামার পরেই তাঁর দেহে একঝাঁক বুলেট বিদ্ধ হয়। সেই অবস্থায় তিনি জঙ্গিদের লক্ষ্য করে গুলি চালাতে থাকেন। লড়াই করতে করতেই অজ্ঞান হয়ে যান। পরে তাঁকে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিছুদিন বাদে তাঁকে দিল্লির এইমসেও নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। সেখানে তিনি মারা যান।
আরশাদ খানের স্ত্রী, দুই ছেলে, বাবা-মা ও এক ছোট ভাই আছে। তাঁর বাড়ি ছিল শ্রীনগরে। ২০০২ সালে তিনি পুলিশে যোগ দেন।