
শেষ আপডেট: 19 April 2023 12:18
দ্য ওয়াল ব্যুরো: সারদা (Sarada), রোজভ্যালি (Rose Valley), এমপিএস, টাওয়ারের মতো একাধিক বেআইনি অর্থলগ্নি সংস্থার বিরুদ্ধে সব মামলাগুলিকে (chit fund cases) 'ক্লাব' অর্থাৎ একত্রিত করে বিচারপ্রক্রিয়া এগোনোর জন্য আগেই আদালতের কাছে আর্জি জানিয়েছিল কেন্দ্রীয় এজেন্সি। কিন্তু তা সত্ত্বেও রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় আলাদা আলাদা আদালতে বিচার চলছিল বিভিন্ন চিটফান্ড মামলার। বুধবার বিচারপতি ইন্দ্রপ্রসন্ন মুখোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চ নির্দেশ দিল, এবার থেকে রাজ্যের বিভিন্ন আদালতে বিচারাধীন চিটফান্ড মামলাগুলির বিচার করতে হবে আদালতের একই এজলাসে।
এমপিএসএর কর্ণধার প্রবীর কুমার চন্দ্র সহ আরও ২ জন আদালতকে জানিয়েছিলেন, রাজ্যের ভিন্ন আদালতে অভিযোগের ভিত্তিতে মোট ২৮ টি মামলা চলছে, যেগুলির তদন্ত করছে সিবিআই। তাঁদের আর্জি ছিল, সমস্ত মামলা এক জায়গায় এনে বিচার করা হোক। সেই আবেদনের ভিত্তিতেই বুধবার এই নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ।
আদালতের নির্দেশ, রেজিস্ট্রারকে রাজ্য সরকারের সঙ্গে আলোচনা করে বিচার ভবনে সিবিআই আদালতে সমস্ত চিটফান্ড মামলার বিচার প্রক্রিয়া করতে হবে।
উল্লেখ্য ২০১৩ সালে সামনে এসেছিল সারদা চিটফান্ড কেলেঙ্কারি। সেই মামলায় সিবিআইয়ের হাতে গ্রেফতার হয়েছিলেন সুদীপ্ত সেন, দেবযানী মুখোপাধ্যায় সহ আরও অনেকে। সারদা কাণ্ডের পরেই আরও এক বেআইনি অর্থলগ্নি সংস্থা রোজভ্যালির কর্ণধার গৌতম কুণ্ডুকেও আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেফতার করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। তারপর থেকেএকে একে এমপিএস, পিনকন, টাওয়ার, ত্রিভুবন অ্যাগ্রো সহ অজস্র ছোটবড় চিটফান্ড কাণ্ড সামনে আসতে শুরু করে। সেইসব কেলেঙ্কারিতে বর্তমানে জেল খাটছেন সারদা মালিক সুদীপ্ত সেন, রোজভ্যালির মালিক গৌতম কুণ্ডু, আইকোর কর্তা অনুকুল মাইতিরা।
কিন্তু চিটফান্ড মামলার তদন্তে সিবিআই গাফিলতি করছে বলে অভিযোগ তুলেছিল বিরোধীদের একাংশ। সিবিআই তদন্তে ঢিলেমি দিয়েছে বলে অভিযোগ রাজ্যের প্রাক্তন শাসকদল সিপিএমের। অন্যদিকে তৃণমূলের দাবি, চিটফান্ড তদন্তে নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করছে না সিবিআই। তারা শুধু বেছে বেছে তৃণমূল নেতাদের টার্গেট করেছে। অন্যদলের অভিযুক্তদের ছাড় দেওয়া হয়েছে।
সুবীরেশের ডিগ্রি কেড়েছিলেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়, তাঁর নির্দেশে স্থগিতাদেশ দিল ডিভিশন বেঞ্চ