দ্য ওয়াল ব্যুরো : সমাজবাদী পার্টির সাংসদ আজম খানের বিরুদ্ধে ৮০ টি মামলা করেছে উত্তরপ্রদেশের যোগী আদিত্যনাথ সরকার। সরকারি ক্ষমতার ‘অপব্যবহারের’ অভিযোগে শুক্রবার আজম খানের রামপুর কেন্দ্রে সমাজবাদী কর্মী-সমর্থকদের জমায়েত হতে ডাক দেন দলের শীর্ষ নেতা অখিলেশ সিং যাদব। সমাজবাদী কর্মী-সমর্থকরা যাতে কিছুতেই রামপুরে না আসতে পারেন, সেজন্য রাস্তায় রাস্তায় কড়া প্রহরা বসায় পুলিশ। এরই মধ্যে বর সেজে রামপুরে ঢুকে পড়েন সমাজবাদী পার্টির সম্ভল জেলা শাখার সভাপতি ফিরোজ খান। তাঁর সঙ্গে বরযাত্রী সেজে ঢুকে পড়েন আরও কয়েকজন দলীয় কর্মী।
ফিরোজ খান বরের পোশাক পরে ছিলেন। তাঁর মাথায় ছিল ‘সেহরা’। উত্তরপ্রদেশে বর মাথায় যে টোপরের মতো জিনিসটি পরে তাকে সেহরা বলা হয়। তাতে মুখের বেশিরভাগ ঢাকা থাকে। বরকে চেনা যায় না। ফিরোজ খান সেজন্যই বরের ছদ্মবেশ ধারণ করেছিলেন।
ছাগল চুরি থেকে সরকারি জমি জবরদখল, সবরকম মামলাই আছে আজম খানের বিরুদ্ধে। স্থানীয় গোয়েন্দারা পুলিশকে সতর্ক করে বলেছিলেন, সম্ভল থেকে কয়েকজন সমাজবাদী নেতা-কর্মী রামপুরে ঢুকে পড়তে পারেন। তারপরেই সম্ভল থেকে রামপুরগামী প্রতিটি রাস্তায় বড় সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়। চান্দাউসি ক্রসিং-এ পুলিশ আটকে দেয় সমাজবাদী পার্টির বিধায়ক ইকবাল মেহমুদ ও সাংসদ শফিকুর রহমান বারককে। তাঁদের রামপুরে ঢুকতে দেওয়া হয়। কিন্তু দুই নেতার সঙ্গে যে সমর্থকেরা ছিলেন তাঁদের ফিরিয়ে দেওয়া হয়। পুলিশের অ্যাডিশনাল সুপারিনটেনডেন্ট অলোক জয়সোয়াল ও সার্কেল অফিসার কে কে সরোজ নিজে চান্দাউসি ক্রসিং-এ পাহারা দিচ্ছিলেন যাতে সমাজবাদী পার্টির কেউ ঢুকতে না পারে।
শফিকুর রহমান বলেন, যেভাবে আমাদের রাস্তায় আটকে দেওয়া হয়েছে, তা অগণতান্ত্রিক। আমি পুলিশকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম, কেন তারা আমাদের সমর্থকদের ঢুকতে দিচ্ছে না? তারা জবাব দিতে পারেনি। তাঁর কথায়, আমি পুলিশকে জিজ্ঞাসা করলাম, রামপুরে কি দাঙ্গা চলছে? সেখানে কি ১৪৪ ধারা জারি করা আছে? পুলিশ আমাদের কর্মীদের ঢুকতে বাধা দিচ্ছে কেন? তারা সন্তোষজনক জবাব দিতে পারেনি।