
শেষ আপডেট: 21 July 2023 03:33
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ছাত্র সেজে আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ে (Aligarh Muslim University) ঢুকেছিল ফৈয়জান আনসারি ওরফে ফৈয়াজ, এমনটাই দাবি জাতীয় তদন্ত সংস্থার (এনআইএ)। অভিযোগ, আলিগড় বিশ্ববিদ্যালয়ের এই ছাত্র তলে তলে জঙ্গিদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছিল। ইসলামিক স্টেটের (ISIS) একাধিক হ্যান্ডলারের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ ছিল ফৈয়াজের। এমনকী দেশের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য আইসিসকে চালান করার অভিযোগও উঠেছে। ফৈয়াজকে গ্রেফতার করেছে এনআইএ।
এনআইএ-র দাবি, আইসিসের সক্রিয় কর্মী ছিল ফৈয়াজ। বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের জঙ্গিদলে টেনে নিয়ে যাওয়াই ছিল তার কাজ। পাশাপাশি ইসলামিক স্টেটের হ্যান্ডলারদের সঙ্গে খবরাখবর আদানপ্রদান চলত ফৈয়াজের। আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ের (Aligarh Muslim University) কেউ আইসিসের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলেছে এমন তথ্য পেয়েছিল এনআইএ। বিশেষ করে আইসিসের হ্যান্ডলারদের খোঁজ করতে গিয়েই ফৈয়াজের নাম সামনে আসে।
গত ১৯ জুলাই ফৈয়াজকে প্রমাণ-সহ গ্রেফতার করা হয়। ভারতীয় দণ্ডবিধির একাধিক ধারায় ফৈয়াজকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে খবর। তার কাছ থেকে নানারকম বৈদ্যুতিন সরঞ্জাম, নথিপত্র, ধর্মীয় পতাকা উদ্ধার হয়েছে। সেইসব নথিপত্র দেখে এনআইএ-র তদন্তকারীদের অনুমান দেশে বসেই পাকিস্তানের একাধিক জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখত ফৈয়াজ। সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে আইসিসে কাজকর্মকে সমর্থন করে নানা পোস্টও করতে। সেইসব পোস্টের ছত্রে ছত্রে ভারত বিরোধী কথা লেখা থাকত। বিশ্ববিদ্যালয়ের তরুণদের জিহাদের পাঠ দিত ফৈয়াজ। সে সূত্রও নাকি পাওয়া গেছে তদন্তে।
সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মের অপব্যবহার, দু'বছরে ব্লক ৬৩৫টি ওয়েব লিঙ্ক, রাজ্যসভায় বলল কেন্দ্র
এনআইএ-র দাবি, দেশের নানা জায়গায় অশান্তি তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে আইসিসের। ছাত্রটির কাছ থেকে পাওয়া নথিপত্র দেখে তেমনই ইঙ্গিত পেয়েছেন তদন্তকারীরা। ফৈয়াজ কার কার সঙ্গে যোগাযোগ রাখত, কী কী তথ্য আদান প্রদান হয়েছে সেইসব খুঁজে বের করার চেষ্টা করছেন গোয়েন্দা সংস্থার অফিসাররা।