
শেষ আপডেট: 15 July 2023 14:22
দ্য ওয়াল ব্যুরো: উত্তরপ্রদেশের সমাজবাদী পার্টির নেতা আজম খানকে (akhilesh is in danger as azam khan is behind the bar) শনিবার ঘৃণা ভাষণের আরও একটি মামলায় দু বছরের কারাবাসের সাজা দিয়েছে রাজ্যের একটি আদালত। এ বছর জানুয়ারিতে ঘৃণা ভাষণের আর একটি মামলায় দু বছর কারাবাসের সাজা হওয়ায় আগেই তাঁর বিধায়ক পদ খারিজ হয়ে গিয়েছে। যদিও উচ্চতর আদালত নিম্ন আদালতের রায় খারিজ করে দেয়। কিন্তু আজমের শূন্য আসনে তার আগেই উপনির্বাচনে বিজেপি জিতে গিয়েছে। শনিবারের রায়ের পর তাঁর বিধায়ক পদ ফিরে পাওয়ার সম্ভাবনা আপাতত থাকল না।
দলবদলু হিসাবে পরিচিত এই নেতা ফের বিজেপিতে যোগ দেবেন বলে আপাতত গুঞ্জন। বিজেপি ছেড়ে ২০০৪-এ সমাজবাদী পার্টিতে যোগ দেন দারা। বিজেপিতে যাওয়ার আগে ছিলেন মায়াবতীর বহুজন সমাজ পার্টিকে। তাঁকে নিয়ে দড়ি টানাটানির অন্যতম কারণ, নিজের পরিচিতির জোরেই জিতে আসার ক্ষমতা ধরেন এই নেতা। শোনা যাচ্ছে, ২০২৪-এ বিজেপির টিকিটে লড়বেন দারা সিং। স্বভাবতই সমাজবাদী পার্টি এবং অখিলেশের জন্য এটা বড় ধাক্কা।
আরও বড় ধাক্কা আজম খানের সাজা। উত্তর প্রদেশে আজমগড়ের প্রাক্তন সাংসদ আজম ২০১৯-এ প্রবল মোদী ঝড়েও জিতে আসেন। গত বছর তিনি বিধানসভা নির্বাচনে লড়াই করেও জেতেন। রাজ্যে তাঁকে দরকার বলে অখিলেশের কথায় লোকসভার সদস্যপদ ছেড়ে দেন আজম। কিন্তু সেখানে উপনির্বাচনে জয়ী হয় বিজেপি।
আসলে গত বছর যোগী আদিত্যনাথ উত্তর প্রদেশে দ্বিতীয়বার জিতে ক্ষমতা দখলের পর থেকে সমাজবাদী পার্টির বিপদ বেড়েছে। যদিও অখিলেশ পারিবারিক সমস্যা অনেকটা মিটিয়ে নিয়েছেন। দুই কাকার সঙ্গেই তাঁর সম্পর্ক এখন ভাল। বাবা প্রয়াত মুলায়ম সিং যাদবের মৈনপুরির লোকসভা আসনের উপ নির্বাচনেও জিতেছেন অখিলেশ পত্নী ডিম্পল।
কিন্তু দলের অবস্থা ভাল যাচ্ছে না। মাস চার আগের পুরভোটে বড় ধাক্কা খেয়েছে সমাজবাদী পার্টি। তার উপর পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে নিহত গ্যাংস্টার, দুষ্কৃতীদের অনেকেই বিভিন্ন এলাকায় সমাজবাদী পার্টির স্তম্ভ হিসাবে কাজ করত। অন্যদিকে, অখিলেশের পার্টিতে বিজেপির অপারেশন লোটাস অর্থাৎ দল ভাঙানোর চেষ্টা তো আছেই।
এরই মধ্যে উত্তর প্রদেশের বাইরে দলের প্রভাব বৃদ্ধিতে অখিলেশ সবে ভোটমুখী মধ্যপ্রদেশ, ছত্তীশগড় এবং রাজস্থানে সময় দিতে শুরু করেছিলেন। কিন্তু খাস উত্তর প্রদেশেই মুলায়ম-পুত্রের চিন্তা বাড়িয়ে দিয়েছে।
আজম খান উচ্চ আদালত থেকে রেহাই না পেলে তাঁকে জেলে চলে যেতে হতে পারে, যদি না রাহুল গান্ধীর মতো আদালত আইনি লড়াই শেষ না হওয়া পর্যন্ত জামিন মঞ্জুর করে। তবে সাজা মকুব না হলে আসন্ন লোকসভা ভোটে লড়াই করতে পারবেন না তিনি।
খেজুরের স্যালাড, আর গাজরের তন্দুরি, সৌদিতে মোদীর শুদ্ধ শাকাহারি মধ্যাহ্নভোজ