
শেষ আপডেট: 26 December 2019 18:30
আশির দশকের শেষ দিকে মিগ-২৭ যুদ্ধবিমান আসে ভারতের বাযুসেনা বাহিনীর হাতে। রাশিয়ার তৈরি এই ফাইটার জেট আকাশ থেকে মাটিতে থাকা নিশানায় নির্ভুল লক্ষ্যে বোমা ফেলতে পারে। যে কোনও নিশানায় ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়তেও দক্ষ সে। আকাশপথে হানা দেওয়া শত্রু-বিমানকেও নিকেশ করার ক্ষমতা রয়েছে মিগ-২৭ ফাইটার জেটের। মিগ-২৭ ফাইটার জেটের দায়িত্বে থাকা অনেক পাইলট একে ‘সুইং উইঙ্গার’ বলেও ডাকেন। আকাশে উড়তে উড়তেই যে কোনও কৌণিক অবস্থানে বদলে ফেলা যায় এর গতি। কার্গিল যুদ্ধ এবং অন্যান্য অভিযানে এই পরাক্রমের কারণেই বায়ুসেনা পাইলটদের প্রিয় হয়ে উঠেছিল ‘বাহাদুর’।
https://twitter.com/ANI/status/1210434788697550849?ref_src=twsrc%5Etfw%7Ctwcamp%5Etweetembed%7Ctwterm%5E1210434788697550849&ref_url=https%3A%2F%2Fwww.livemint.com%2Fnews%2Findia%2Fiaf-to-decommission-mig-27-fighter-jet-that-played-a-crucial-part-in-kargil-war-see-pics-11577380169772.html
https://twitter.com/ANI/status/1210420641414803456?ref_src=twsrc%5Etfw%7Ctwcamp%5Etweetembed%7Ctwterm%5E1210420641414803456&ref_url=https%3A%2F%2Fwww.indiatoday.in%2Findia%2Fstory%2Findian-air-force-mig-27-retirement-1631721-2019-12-26
মিগের পরিচালনার দায়িত্বে থাকা নম্বর ২৯ স্কোয়াড্রন তৈরি হয় ১৯৫৮ সালে। প্রায় ৫০ বছর ধরে মিগের তৈরি বিভিন্ন ধরনের যুদ্ধবিমান ব্যবহার করে আসছে ভারত। সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে একের পর এক নতুন সংস্করণ বাজারে এনেছে মিগ। ২০০৬ সালে শেষবারের মতো বাযুসেনার অভিযানে পরাক্রম দেখায় মিগ-২৭। এরপর থেকে তার ক্ষমতায় টান পড়তে থাকে। মিগের উন্নত সংস্করণও চলে আসে ভারতের হাতে-- মিগ-২১ টাইপ ৭৭, মিগ-২১ টাইপ ৯৬, মিগ-২৭, মিগ-২৯, মিগ-২৩ বিএন, মিগ-২৩ এমএফ। রাশিয়ায় তৈরি নতুন যুদ্ধবিমান মিগ-৩৫ প্রযুক্তিগতভাবে আরও অনেক উন্নত। মিগ-৩৫ হল ‘ফোর প্লাস প্লাস’ প্রজন্মের যুদ্ধবিমান। মিগ-৩৫ ফাইটার জেট ওজনে অনেক হাল্কা এবং ফোর্থ জেনারেশনের চেয়ে অনেক আধুনিক এবং শক্তিশালী হিসেবে গড়ে তোলা হয়েছে।
প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সূত্রে খবর, একসময় তারুণ্যের তেজে টগবগ করত মিগ-২৭। এখন বুড়ো হাড়ে আর সে ভেল্কি দেখাতে পারছে না। তবে অবসরবেলায় সম্মানের কোনও ঘাটতি হবে না। মিগে -২৭-এর গ্র্যান্ড ফেয়ারওয়েলে হাজির থাকবেন এয়ার মার্শাল এসকে ঘোটিয়া, সাউথ-ওয়েস্টার্ন এয়ার কম্যান্ডের এয়ার-অফিসার কম্যান্ডিং ইন চিফ-সহ অনেকেই।