
শেষ আপডেট: 22 December 2022 07:55
দ্য ওয়াল ব্যুরো: এসি মেশিন সারাইয়ের (AC mechanic) কাজ করেন বাবা। আয় যে খুব বেশি তা নয়। বড়জোর ২৫ হাজার। তাতেই কোনওরকমে সংসার চলে যায়। কিন্তু পরিবারে স্বচ্ছলতা আনতে বদ্ধপরিকর ছিল বড় ছেলে রাজিন মনসুরি। এবার মাত্র ২২ বছর বয়সেই হাজারও প্রতিকূলতার সঙ্গে যুঝে ক্যাট (CAT) পাস করলেন রাজিন। গুজরাতের আমদাবাদের (Ahmedabad) বাসিন্দা তিনি।
জানা গেছে, ২০২১-এও 'কমন অ্যাডমিশন টেস্ট' অথবা ক্যাট দিয়ে ৯৬.২০ শতাংশ নম্বর পেয়েছিলেন রাজিন মনসুরি। এই নম্বরে আইআইএম-উদয়পুরে ভর্তি হতে পারতেন তিনি। কিন্তু নিজের ফলাফলে একেবারেই সন্তুষ্ট ছিলেন না। তাই আরও একবার এই পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। আর এরপরেই এবছর দারুণ ফল করেছেন তিনি। ৯৯.৭৮ পার্সেন্টাইল স্কোর করেছেন রাজিন। ছেলের সাফল্যে খুশি তাঁর পরিবারও। আইআইএম-আমদাবাদ বা আইআইএম-বেঙ্গালুরুতে তাঁর ভর্তির সম্ভাবনা সবথেকে বেশি বলে জানিয়েছেন।
২০২২ সালের মে মাসে আমদাবাদ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইঞ্জিনিয়ারিং পাস করেন রাজিন মনসুরি। বাবা ইরফান মনসুরির যা আয়, তাতে সংসার কোনওরকমে চলে যায়। এক কামরার ঘরেই মা, বাবা, ভাইয়ের সঙ্গে থাকেন। তাই পরিবারে স্বচ্ছলতা আনতে তাঁর তাগিদও ছিল সবথেকে বেশি। রাজিন বলেন, “আমার পরিবারের আর্থিক অবস্থা ভীষণই দুর্বল। তাই স্কলারশিপ পেয়েই নিজের পড়াশোনা শেষ করেছি।"
এরপর তিনি বলেন, "ইঞ্জিনিয়ারিং শেষ করার পরে আমায় বার্ষিক ৬ লক্ষ টাকা বেতনের চাকরির প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু আমি সেই প্রস্তাব গ্রহণ করিনি, কারণ আমার স্বপ্ন ছিল আইআইএম-আমদাবাদ অথবা আইআইএম-বেঙ্গালুরুতে ভর্তি হবো। গতবছর ৯৬.২০ শতাংশ নম্বর নিয়ে আমি সন্তুষ্ট ছিলাম না। তাই এবছর আবার পরীক্ষা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম।"
হাসপাতালে দুর্গন্ধ, আলমারি খুলতেই চমকে উঠল কর্মীরা! উদ্ধার মা-মেয়ের লাশ