দ্য ওয়াল ব্যুরো: ফের ‘এক দেশ, এক ভোটে’র (one nation, one election) পক্ষে সওয়াল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর (pm narendra modi)। ঘনঘন ভোট হলে উন্নয়নের (development) কাজ মার খায় বলে অভিমত জানিয়ে ‘এক দেশ, এক ভোটার তালিকা’র কথাও বলেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী দেশব্যাপী দলীয় কর্মীদের সঙ্গে আলাপচারিতায় উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, শহর, নগরে শিক্ষিত, সমৃদ্ধ, বিচক্ষণ লোকজন থাকেন। অথচ দেখা যায়, সেখানেই ভোটদানের হার কম! সাধারণ নাগরিক থেকে শুরু করে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কর্মীদেরও এ ব্যাপারে গুরুত্ব দিয়ে ভাবনাচিন্তা করতে বলেন তিনি। কিছুটা শ্লেষ মিশিয়ে মোদী বলেন, শহুরে এলাকার লোকজন সোস্যাল মিডিয়াতেই মতামত দিতে অভ্যস্ত, কিন্তু ভোট দিতে যান না।
মঙ্গলবার জাতীয় ভোটার দিবস উপলক্ষ্যে বিজেপির ‘পান্না প্রমুখ’ ও অন্যান্য তৃণমূল স্তরের কর্মীদের সঙ্গে আলোচনায় নির্দেশ দেন, প্রতিটি নির্বাচনে যাতে ৭৫ শতাংশ ভোট পড়ে, তা সুনিশ্চিত করতে হবে দলীয় কর্মীদের। তখনই ফের তাঁর মুখে ‘এক দেশ, এক ভোট’ ও ‘এক দেশ, এক ভোটার তালিকা’র জন্য আলোচনার ওপর জোর দেন।
উত্তরপ্রদেশ, পাঞ্জাব, উত্তরাখণ্ড, গোয়া, মনিপুর-এই ৫ রাজ্যে বিধানসভা ভোটের প্রাক্কালে মোদীর এহেন অভিমত।
বরাবরই মোদী লোকসভা ও বিধানসভা নির্বাচন একইসঙ্গে করার পক্ষপাতী। তাঁর অভিমত, বারবার, একের পর এক নির্বাচনে উন্নয়ন বাধা পায়, সরকারের যে কোনও পদক্ষেপের পিছনেই রাজনৈতিক অভিসন্ধি খোঁজে জনসাধারণ।
১৯৫০ সালে নির্বাচন কমিশনের প্রতিষ্ঠা উদযাপনে আজ ন্যাশনাল ভোটার্স ডে-তে মোদী কমিশনের প্রশংসা করে তারা বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, প্রতিষ্ঠানের ব্যাপক সমর্থন পায় বলে উল্লেখ করেন। বলেন, কমিশনের হাতে নোটিস জারি, অফিসারদের বদলি করার একচ্ছত্র ক্ষমতা আছে। আসলে দেশের সংবিধান নির্মাতারা জানতেন, একমাত্র একটি শক্তিশালী, পক্ষপাতহীন নির্বাচনী প্রক্রিয়া থাকলেই গণতন্ত্র সচল, প্রাণবন্ত থাকবে।
পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী বিজেপি কর্মীদের অপুষ্টির বিরুদ্ধেও মানুষকে সঙ্গে নিয়ে প্রচার চালাতে বলেন যাতে ২০৪৭ সালে দেশের স্বাধীনতা অর্জনের শতবর্ষপূর্তিতে স্বাস্থ্যবান ভারত গড়ে ওঠে।