
শেষ আপডেট: 23 February 2024 12:38
দ্য ওয়াল ব্যুরো, উত্তর ২৪ পরগনা: সন্দেশখালি কাণ্ডের ১৯ দিনের মাথায় সন্দেশখালি পৌঁছল জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের ৫ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল। এর আগে জাতীয় মহিলা কমিশন ও জাতীয় শিশু সুরক্ষা কমিশনের প্রতিনিধিরা সন্দেশখালি পর্যবেক্ষণে যান। শুক্রবার সন্দেশখালির দুটি ব্লকে গিয়ে সেখানকার নির্যাতিতা মহিলাদের সঙ্গে কথা বলেন জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সদস্যরা।
এদিন দিল্লি ফিরে গিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র দফতরকে রিপোর্ট জমা দেবেন জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সদস্যরা। দেরিতে হলেও সন্দেশখালির ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় মানুষের কাছে পৌঁছন জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সদস্যরা। তাদের কাছে পেয়ে গ্রামের মহিলা থেকে পুরুষ প্রত্যেকেই তাঁদের দুর্বিসহ জীবনযাত্রার কথা তুলে ধরেন।
এদিকে শেখ শাহজাহানের ভাই শেখ সিরাজুদ্দিনের গ্রেফতারের দাবিতে শুক্রবার সকাল থেকে ফের উত্তপ্ত হয়ে ওঠে সন্দেশখালির বেড়মজুরের কাছারি এলাকা। শেখ শাজাহান ঘনিষ্ঠ তৃণমূল কংগ্রেস নেতা অজিত মাইতির বাড়িতে ভাঙচুর করল ক্ষুব্ধ গ্রামবাসীরা। অভিযোগ, কলাগাছি নদীর ধারে সাধারণ চাষিদের সমস্ত জমি জোর করে ভয় দেখিয়ে দখল নেয় অজিত মাইতি। সেই অভিযোগেই তার বাড়িতে চড়াও হয়ে ভাঙচুর চালায় গ্রামবাসীরা।
গরিব চাষিদের জমি দখলের অভিযোগে শেখ শাহজাহানের ভাই শেখ সিরাজউদ্দিনের ভেড়ির আলাঘরেও আগুন ধরিয়ে দেয় উত্তেজিত গ্রামবাসী। তাঁদের অভিযোগ, প্রায় ৪০ বিঘা জমি জোর করে দখল করে নিয়েছে শেখ সিরাজউদ্দিন। চাষের জমিতে রাতারাতি সামুদ্রিক নোনা জল ঢুকিয়ে বানানো হয় মেছো ভেড়ি। প্রতিবাদ করতে গিয়ে জখম হতে হয়েছে অনেককে। সন্দেশখালি থানার পুলিশের কাছে অভিযোগ জানিয়েও কোনও ফল হয়নি। উল্টে প্রতিবাদী গ্রামবাসীদের কপালে জুটেছে অত্যাচার, লাঞ্ছনা। গন্ডগোলের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় বিশাল পুলিশ বাহিনী। তাদের ঘিরে ধরে বিক্ষোভ দেখাতে থাকে ক্ষতিগ্রস্ত গ্রামবাসীরা।