
শেষ আপডেট: 9 April 2024 08:33
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ফের উত্তপ্ত ভূপতিনগর! এবার ভগবানপুরের বিজেপি বিধায়ক রবীন্দ্রনাথ মাইতির কার্যালয়ে ঢুকে কর্মীদের হেনস্থার অভিযোগ উঠল পুলিশের বিরুদ্ধে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সোমবার রাত থেকে ফের উত্তেজনা ছড়িয়েছে ভূপতিনগর এলাকায়। উল্লেখ্য, দিন কয়েক আগে গ্রামে এনআইএ অভিযানকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়েছিল ভূপতিনগর।
গত তিন দিন ধরে পূর্ব মেদিনীপুরের ভূপতিনগরে চরম অশান্তি চলছে। সূত্রের খবর, গতকাল রাতে ‘সার্চ ওয়ারেন্ট’ ছাড়া বিজেপি বিধায়কের কার্যালয়ে ঢুকে এক নেতাকে গ্রেফতারের চেষ্টার অভিযোগ উঠল পুলিশের বিরুদ্ধে। এই ঘটনাকে ঘিরে তুমুল বচসা শুরু হয় ভূপতিনগর থানার ওসি গোপাল পাঠক এবং ভগবানপুরের বিধায়ক রবীন্দ্রনাথ মাইতির মধ্যে। কিছুক্ষণ কথা কাটাকাটির পরে পুলিশ চলে যায়।
স্থানীয় সূত্রের খবর, সোমবার রাত সাড়ে ৮টা নাগাদ ভূপতিনগরের ওসি গোপালের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল অর্জুননগরে বিজেপি বিধায়কের দলীয় কার্যালয়ে ঢুকে পড়ে। সেই সময় বিধায়ক রবীন্দ্রনাথ কার্যালয়েই ছিলেন। পুলিশকে কার্যালয়ে হুড়মুড়িয়ে ঢুকে পড়তে দেখে হইচই শুরু হয়ে যায়। বাধা দেন বিধায়ক। পুলিশ দাবি করে, এক অভিযুক্তকে তাড়া করার সময় তিনি গা ঢাকা দিতে বিধায়কের কার্যালয়ে ঢুকে পড়েছেন। তাঁকে ধাওয়া করে পুলিশও বিধায়কের কার্যালয়ে ঢুকেছে। এরপর পুলিশের কাছে ‘সার্চ ওয়ারেন্ট’ দেখতে চান বিধায়ক। সে নিয়ে ঝামেলা শুরু হয়ে যায়।
বিজেপির অভিযোগ, কোনও কারণ ছাড়াই ভূপতিনগরের এসসি মোর্চার মণ্ডল সভাপতি রাজশেখর বরকে আটক করে পুলিশ। তার পর বিধায়ক কার্যালয়ে ঢুকে কর্মীদের হেনস্থা করা হয়। এ প্রসঙ্গে বিধায়ক রবীন্দ্রনাথ মাইতির বক্তব্য, পুলিশ তৃণমূলের নির্দেশে বিজেপির মণ্ডল সভাপতিকে কোনও কারণ ছাড়াই তুলে নিয়ে যায়। পুলিশের কাছে সার্চ ওয়ারেন্টও ছিল না। সার্চ ওয়ারেন্ট দেখাতে বলতে ওসি কার্যালয়ের বাইরে চলে যান। অযথা কর্মীদের হেনস্থা করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন তিনি।