দ্য ওয়াল ব্যুরো: 'তিন তালাকের' পর এ বার 'নিকাহ হালালা'। দেশের শীর্ষ আদালতে এ বার 'নিকাহ হালালা' প্রথার বিরোধীতা করবে কেন্দ্রীয় সরকার।
'নিকাহ হালালা' প্রথায় কোনও মুসলমান ব্যক্তি নিজের ডিভোর্স দেওয়া স্ত্রীকে পুনরায় বিয়ে করার অনুমতি পান। তবে তার একটা নির্দিষ্ট পদ্ধতি আছে যাকে বলে 'ইদ্দত'। এই পদ্ধতিতে সেই ডিভোর্স দেওয়া স্ত্রীকে অন্য আরেক পুরুষ বিয়ে করেন। একটা নির্দিষ্ট সময় ধরে সেই পুরুষের সঙ্গে থাকতে হয় ওই মহিলাকে। তারপর ফের ওই পুরুষ তাঁকে ডিভোর্স দিলে তবেই তাঁর প্রাক্তন স্বামী ওই মহিলাকে দ্বিতীয় বার বিয়ে করার অনুমতি পান।
কেন্দ্রীয় আইন্মন্ত্রকের এক আধিকারিক বলেন, 'নিকাহ হালালা' প্রথা মানবাধিকার ও লিঙ্গ সাম্যের মূল নীতির বিরোধী। গত মার্চ মাসে 'তিন তালাক' এবং 'নিকাহ হালালা' নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারকে নোটিস পাঠায় সুপ্রিম কোর্ট। ওই আধিকারিকের কথায় 'তিন তালাকের' ক্ষেত্রে সরকারের যে অবস্থান ছিল, 'নিকাহ হালালার' খেত্রেও সেই একই অবস্থান নিতে চলেছে সরকার।
২০১৭ সালে তাৎক্ষণিক 'তিন তালাককে' অসাংবিধানিক আখ্যা দিয়েছিল দেশের শীর্ষ আদালত। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে সে সময় লোকসভায় বিল পাশ করায় কেন্দ্রীয় সরকার। নতুন আইনে মৌখিক, লিখিত, ইমেল, হোয়াটসঅ্যাপ বা এসএমএসের মাধ্যমে স্ত্রীর সঙ্গে বিচ্ছেদ বেআইনি। আইন ভাঙলে তিন বছর পর্যন্ত হতে পারে জেল। যদিও এখনও রাজ্যসভায় পাশ হয়নি এই বিল।
'নিকাহ হালালা' নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে চারটি আবেদনের শুনানি হবে বলে জানা গিয়েছে।