Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
IPL 2026: ভাগ্যিস আইপিএলে অবনমন নেই! নইলে এতক্ষণে অবনমনের প্রস্তুতি নিত কেকেআর TCS Scandal: যৌন হেনস্থা, ধর্মান্তরে চাপ! নাসিকের টিসিএসকাণ্ডে মালয়েশিয়া-যোগে আরও ঘনাল রহস্যক্যান্ডিডেটস জিতে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে গুকেশের মুখোমুখি সিন্দারভ, ড্র করেও খেতাবের লড়াইয়ে বৈশালীIPL 2026: চেন্নাইয়ের বিরুদ্ধে হেরে টেবিলের তলানিতে কেকেআর! গুরুতর বদলের ইঙ্গিত রাহানের নববর্ষের 'শুভনন্দন'-এও মুখ্যমন্ত্রীর SIR তোপ! বাংলায় পয়লা বৈশাখের শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রীরইরানের সব পণ্যবাহী জাহাজ চলাচল বন্ধ করে‌ দেওয়া হয়েছে, দাবি আমেরিকার, চিন্তা ইরানি ল্যান্ডমাইনও Poila Baisakh: দক্ষিণেশ্বর থেকে কালীঘাট, নববর্ষে অগণিত ভক্তের ভিড়, পুজো দিতে লম্বা লাইনপয়লা বৈশাখেই কালবৈশাখীর দুর্যোগ! মাটি হতে পারে বেরনোর প্ল্যান, কোন কোন জেলায় বৃষ্টির পূর্বাভাসমেয়েকে শ্বাসরোধ করে মেরে আত্মঘাতী মহিলা! বেঙ্গালুরুর ফ্ল্যাটে জোড়া মৃত্যু ঘিরে ঘনীভূত রহস্য UCL: চ্যাম্পিয়নস লিগের শেষ চারে পিএসজি-আতলেতিকো, ছিটকে গেল বার্সা-লিভারপুল

'রাজ্যপাল বলে কি সাত খুন মাফ'! সুপ্রিম কোর্টের পর এবার রাষ্ট্রপতিকে চিঠি নির্যাতিতার

বিচার চেয়ে গত ১৯ জুলাই রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের বিরুদ্ধে সুপ্রিমকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন নির্যাতিতা।

'রাজ্যপাল বলে কি সাত খুন মাফ'! সুপ্রিম কোর্টের পর এবার রাষ্ট্রপতিকে চিঠি নির্যাতিতার

রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস ও সুপ্রিম কোর্ট। ফাইল ছবি।

শেষ আপডেট: 26 July 2024 15:15

দ্য ওয়াল ব্যুরো: বিচার চেয়ে গত ১৯ জুলাই রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের বিরুদ্ধে সুপ্রিমকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন নির্যাতিতা। এবার এবিষয়ে সুবিচার চেয়ে দেশের রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি লিখলেন তিনি।

সূত্রের খবর, চিঠিতে নির্যাতিতার তরফে সুবিচারের আর্জি জানানোর পাশাপাশি বলা হয়েছে, 'রাজ্যপাল বলে কি সাত খুন মাফ!' এভাবে সংবিধানের ৩৬১ ধারার দোহাই দিয়ে রাজ্যপাল ফৌজদারি মামলা থেকে অব্যাহতি পেলে সুবিচার থেকে তাঁকে বঞ্চিত করা হবে বলেও চিঠিতে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ওই তরুণী। 

গত ২ মে রাজ্যপাল বোসের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগ আনেন রাজভবনেরই এক অস্থায়ী মহিলা কর্মী। হেয়ার স্ট্রিট থানায় গিয়ে রাজ্যপালের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগও দায়ের করেন তিনি। পুলিশকে ওই মহিলা লিখিত অভিযোগে জানান, ২ মে রাজ্যপালের সঙ্গে তিনি দেখা করতে যান। তখনই তাঁর শ্লীলতাহানির চেষ্টা করা হয়।

যদিও পরে রাজভবনের তরফে বিবৃতি দিয়ে ওই অভিযোগ উড়িয়ে দেওয়া হয়। এমনকী ঘটনার একাংশ সিসিটিভি ফুটেজও প্রকাশ করা হয়। তবে নির্যাতিতার অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ অনুসন্ধান শুরু করলেও সাংবিধানিক রক্ষাকবচ থাকায় রাজ্যপালের বিরুদ্ধে ওঠা এই ধরনের বিস্ফোরক অভিযোগের ক্ষেত্রে কোনও আইনি পদক্ষেপ করতে পারেনি কলকাতা পুলিশ। মামলা গড়ায় কলকাতা হাইকোর্টে। সেখানে পুলিশি অনুসন্ধানে স্থগিতাদেশ জারি করা হয।

এরপরই বিচার চেয়ে শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন ওই মহিলা। এ ব্যাপারে রাজ্য ও কেন্দ্রকে ৩ সপ্তাহের মধ্যে তাদের বক্তব্য জানাতে বলেছে শীর্ষ আদালত। তিন সপ্তাহ পর ফের মামলার শুনানি হবে। এরই মাঝে নির্যাতিতা তরুণী রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি লিখে সুবিচারের আর্জি জানানোয় বিষয়টি ঘিরে নতুন করে শোরগোল তৈরি হয়েছে। তবে এব্যাপারে রাজভবনের কোনও প্রতিক্রিয়া এখনও জানা যায়নি। 


```