.webp)
শেষ আপডেট: 4 October 2023 12:53
দ্য ওয়াল ব্যুরো: নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ফের তলব করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট তথা ইডি। আগামী ৯ অক্টোবর সিজিও কমপ্লেক্সে অভিষেককে হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বুধবার সকালে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্ত্রী রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। আগামী সপ্তাহে ডাকা হয়েছে তাঁকেও। বেআইনি কয়লা পাচার কাণ্ডের সূত্রে নাকি নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে রুজিরাকে তলব তা অবশ্য স্পষ্ট নয়।
নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে গত ৩ অক্টোবর অভিষেককে তলব করেছিল ইডি। ২৮ সেপ্টেম্বর ইডির ওই নোটিশ পাওয়ার পরের দিনই অর্থাৎ ২৯ সেপ্টেম্বর অভিষেক টুইটে স্পষ্ট জানিয়েছিলেন, ওই দিন তিনি থাকবেন দিল্লির যন্তরমন্তরে মানুষের দাবি নিয়ে। যদি কারও ক্ষমতা থাকে তাহলে তাঁকে রুখে দেখাক বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন। বিষয়টি আদালতের নজরে নিয়ে আসেন নিয়োগ মামলার অন্যতম আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য। এরপরই ৩ অক্টোবরের তদন্ত প্রক্রিয়া অব্যাহত রাখার জন্য ইডিকে কড়া নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি।
মঙ্গলবার দলের পূর্ব নির্ধারিত কর্মসূচিতে দিল্লিতেই ছিলেন অভিষেক। বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে মঙ্গলবারই কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে হাজির হয়েছিলেন অভিষেকের আইনজীবী। আদালত মামলাটি গ্রহণ করলেও বিচারপতির একাধিক প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয়েছিল অভিষেককে। বুধবার ওই মামলার শুনানি থাকলেও আবেদন পত্রে সাক্ষর না থাকার কারণে ফের সংশ্লিষ্ট মামলার শুনানি পিছিয়ে গেছে বলে আদালত সূত্রের খবর।
অন্যদিকে, এর আগে বেআইনি কয়লা পাচার মামলায় অভিষেকের স্ত্রী রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কয়েকবার জিজ্ঞাসাবাদ করেছে ইডি। কিন্তু নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে অভিষেকের সংস্থা লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসের ভূমিকাও এখন ইডির আতসকাচের নিচে রয়েছে। ওই সংস্থায় অন্যতম অধিকর্তা ছিলেন রুজিরা। কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিনহা নির্দেশ দিয়েছিলেন, লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসের সমস্ত ডিরেক্টরের সম্পত্তির হিসাব পেশ করতে হবে ইডিকে। প্রয়োজনে বাকি ডিরেক্টরদেরও জিজ্ঞাসাবাদ করতে হবে। হতে পারে সেই সূত্রেই রুজিরাকে তলব করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে তৃণমূলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ এদিন বলেন, “ইডি যে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা নিয়ে কাজ করছে তা দিনের আলোর মতই স্বচ্ছ। দিল্লিতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আন্দোলন দেখে ভীত মোদী সরকার। তাই এবার যে ফের কেন্দ্রীয় এজেন্সি নোটিস পাঠাবে তা ধরেই নেওয়া হয়েছিল। হলও তাই। এই অনাচারের শেষ ঘনিয়ে আসছে।”