দ্য ওয়াল ব্যুরো: মিজোরামের পরে ফের নাগাল্যান্ড! আরও এক বার বিতর্ক উস্কে দিয়ে প্রকাশ্যে খাওয়া হল হাতির মাংস। জমিয়ে চলল ভূরিভোজ। শুধু তা-ই নয়, সেই ঘটনার দৃশ্য আবার ক্যামেরাবন্দি হয়ে ছড়িয়েও পড়েছে নেটদুনিয়ায়। তার পরেই বন দফতরের গাফিলতি নিয়ে সরব হয়েছেন পশুপ্রেমীরা।
মিজ়োরামের ক্ষেত্রে তবুও বা বলার জায়গা ছিল, বয়স এবং পরিশ্রমজনিত কারণে মারা গিয়েছিল লক্ষ্মী নামের ওই হাতিটি। কিন্তু নাগাল্যান্ডের এই ঘটনায়, মাংস খাওয়ার জন্যই নৃশংস ভাবে একটি হাতিকে গুলি করে খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ!
জানা গিয়েছে, গত বুধবার ঘটনাটি ঘটেছে নাগাল্যান্ডের জুনেবেতো জেলায়। সেখানকার লিটামি গ্রামের পাশে একটি জঙ্গলে গুলি করে হত্যা করা হয় একটি পূর্ণবয়স্ক হাতিকে। তার পরে তার ছাল ছাড়িয়ে, গ্রামবাসীদের মধ্যে বিলি করা হয় মাংস! গোটা গ্রাম মিলে মহা উল্লাসে চলে ভূরিভোজ।
শুধু তা-ই নয়, হাতিটির চামড়া ছাড়ানো ও মাংস বিলি করার ছবি তুলে তা পোস্টও করা হয় সোশ্যাল মিডিয়ায়। মুহূর্তে তা ভাইরাল হয়ে যায়। রীতিমতো ক্ষুব্ধ হয়ে প্রতিক্রিয়া দেন পশুপ্রেমীরা। ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবি করে একাধিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন।
যদিও বিষয়টি নিয়ে মুখে কুলুপ এঁটেছে নাগাল্যান্ডের বন দফতর। ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কাউকে আটকও করা হয়নি। এমনকী ওই হাতিটি বন্য না কারও পোষা, সেই বিষয় নিয়েও রয়েছে ধোঁয়াশা।
কয়েক দিন আগেই মিজোরামে একটি মৃত হাতির মাংস খাওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে তুঙ্গে উঠেছিল বিতর্ক। জানা গিয়েছিল, অসমের কাছাড় জেলার এক ব্যক্তির কাছ থেকে এই হাতি ভাড়া করে নিয়ে যান মিজোরামের এক কাঠের ব্যবসায়ী। সেই হাতির নাম ছিল লক্ষ্মী। মোটা কাঠের লগ টানার কাজ করতো লক্ষ্মী। কয়েক দিন আগে এই লক্ষ্মী মারা যায়। চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, অতি পরিশ্রমেই মারা গিয়েছিল ৪৭ বছরের লক্ষ্মী।
নিয়মমাফিক মৃত হাতিটিকে সৎকার করার কথা ছিল বন দফতরের। তবে অভিযোগ ওঠে, দফতরের আধিকারিকদের সামনেই হাতির মাংস বিলি করা হয়। ওই ঘটনার প্রতিবাদে পরিবেশ ও বন মন্ত্রককে চিঠি লিখেছিলেন বিশিষ্ট পশুপ্রেমী সুপর্ণা গঙ্গোপাধ্যায়। ঘটনায় জড়িতদের শাস্তির দাবি তুলেছিলেন তিনি।
আরও পড়ুন...
https://www.four.suk.1wp.in/news-villagers-of-mizoram-organize-picnic-with-dead-elephants-flesh/