
শেষ আপডেট: 6 November 2023 00:07
দ্য ওয়াল ব্যুরো: স্থায়ী উপাচার্য না হয়েও কীভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মসমিতির (এগজ়িকিউটিভ কাউন্সিল বা ইসি) বৈঠক ডেকেছেন? কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্বর্তিকালীন উপাচার্য শান্তা দে’র কাছে জানতে চাইল রাজ্য শিক্ষা দফতর।
সূত্রের খবর, অবিলম্বে ওই বৈঠক বাতিল করার জন্য কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্টারকে চিঠি পাঠিয়েছে রাজ্য শিক্ষা দফতর। চিঠিতে মনে করিয়ে দেওয়া হয়েছে, শান্তাদেবী ‘অন্তর্বর্তিকালীন উপাচার্য’। অর্থাৎ, তাঁর কাজ শুধু উপাচার্য পদের দায়িত্ব সামলানো। এর বাইরে কিছু করতে হলে তাঁকে অবশ্যই রাজ্য শিক্ষা দফতরের অনুমতি নিতে হবে।
জানা গিয়েছে, আগামী ৭ নভেম্বর মঙ্গলবার দুপুরে কর্মসমিতির বৈঠক ডেকেছিলেন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্বর্তিকালীন উপাচার্য শান্তা দে। সেই বৈঠকের বৈধতা নিয়েই প্রশ্ন তোলা হয়েছে ওই চিঠিতে। ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে নিয়ে রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু বলেন, ‘‘সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী অন্তর্বর্তিকালীন উপাচার্য ইসির বৈঠক ডাকতে পারেন না। এর পরেও বৈঠক হলে বিষয়টি সুপ্রিম কোর্টের নজরে আনব।’’
এর আগে কর্মসমিতির বৈঠক ডেকেছিলেন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্বর্তীকালীন উপাচার্য। বিষয়টি জানতে পারার পরই রাজ্য কড়া পদক্ষেপ নেয়। এরপরই স্থগিত হয়ে যায় ওই বৈঠক। এবার একই ঘটনা ঘটল কলকাতা বিশ্ববিদ্য়ালয়ের ক্ষেত্রেও।
প্রসঙ্গত, উপাচার্য নিয়োগ নিয়ে নবান্ন বনাম রাজ্যপালের সংঘাত আদালতে গড়িয়েছিল। যার শুনানিতে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং বিচারপতি দীপঙ্কর দত্তের বেঞ্চ স্পষ্টভাবে জানিয়েছিল, রাজ্যপাল আর অন্তর্বর্তী উপাচার্য নিয়োগ করতে পারবেন না। এমনকী রাজ্যপাল যাঁদের অন্তর্বর্তী উপাচার্য হিসাবে নিয়োগ করেছেন, তাঁরা কোনও সুযোগ-সুবিধা পাবেন না। তাঁরা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনও গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তও নিতে পারবেন না।