
শেষ আপডেট: 10 November 2022 05:08
দ্য ওয়াল ব্যুরো: জঙ্গলে (forest) ঢুকে মহুয়া (mahua) থেকে তৈরি দেশি মদ খেয়ে নিশ্চিন্তে ঘুম দিল হাতির (elephants) পাল। ঘণ্টার পর ঘণ্টা সেখানেই পড়ে পড়ে ঘুমাচ্ছিল দলটি। আর তাদেরকে গভীর জঙ্গলে ফেরত পাঠাতে একেবারে নাকাল হতে হয় বন দফতরকে। বহুক্ষণ চেষ্টার পর শেষমেশ ড্রাম, ঢাক, মাদল পিটিয়ে তাদের ঘুম ভাঙিয়ে সরিয়ে দেওয়া হয়।
জানা গেছে, ওড়িশার (Odisha) কেওনঝরের শিলিপদা গ্রামের কয়েকজন বাসিন্দা জঙ্গলের ভিতরে হাড়ি ভরে মহুয়া গেঁজানোর জন্য রেখে এসেছিলেন। বুধবার ভোরে এক বাসিন্দা গিয়েছিলেন সেই মদ আনতে। বেশ খানিকক্ষণ এদিক ওদিক ঘোরাঘুরির পর তিনি দেখতে পান, সব হাড়ি ভাঙা অবস্থায় পড়ে রয়েছে। সে মদও নেই।
কিন্তু এত মদ কে খেয়ে ফেলল, সেটা ভাবতে ভাবতেই জঙ্গলের ভিতর হাঁটাহাঁটি শুরু করেন। কিছুদূর যেতেই তিনি দেখেন, ২৪টি হাতি সেখানে একেবারে বেহুঁশ হয়ে ঘুমোচ্ছে। বুঝতে পারেন, সেই মহুয়া খেয়েই এমন অবস্থা ওই হাতির দলের। এরপর সঙ্গে সঙ্গে গ্রামে গিয়ে তিনি আরও কয়েকজনকে জড়ো করে ডেকে নিয়ে যান। তারপর শুরু হয় সেই হাতিদের ঘুম ভাঙানোর পালা।
কিন্তু তখন তো তাঁদের একেবারে বেসামাল অবস্থা। কারও ডাকাডাকি, চিৎকারই হাতিগুলির কানে যাচ্ছে না। শেষ অবধি ঘণ্টাখানেক পর খবর দেওয়া হয় বন দফতরে। তাঁরাও প্রথমে এসে হাতিগুলির ঘুম ভাঙাতে ব্যর্থ হন। শেষে ড্রাম, মাদল, ঢাকঢোল পিটিয়ে ঘুম ভাঙানো হয়। তারপর হেলতে দুলতে গভীর জঙ্গলে ফিরে যায় হাতিগুলি। তবে হাতিদের মহুয়া খাওয়ার বিষয়টি মানতে চাইছে না বন দফতর। তাঁদের ধারণা, হাতিগুলি ক্লান্ত হয়ে ওখানে অঘোরে ঘুমাচ্ছিল।
উল্লেখ্য, দিনকয়েক আগে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছিল একটি সুরাপ্রেমী বাঁদরের ভিডিও-ও। বিয়ারের ক্যান খুলে আমেজ করে তা খাচ্ছিল সেই বাঁদর। ভিডিওটিতে তার সূরাপানের ভিডিও দেখে পরিষ্কার বোঝা গিয়েছিল যে, এটাই তার প্রথম বিয়ার খাওয়া নয়! মদ্যপানে সে ভালই অভ্যস্ত। এই কথা স্বীকার করে নিয়েছিলেন সেখানকার বাসিন্দারাও। তাঁরা বলেছিলেন, বাঁদরটি মদের দোকানে রীতিমতো ভাঙচুর করে। দোকানে মদ কিনতে আসা ব্যক্তিদের হাত থেকে মদ ছিনিয়ে নিয়ে গাছের উপরে চড়ে পা দুলিয়ে বসে মদ খায়। এইজন্য ওই দোকানে মদ কিনতে বেশ ভয়েই থাকেন ক্রেতারা।'
সনিয়ার রায়বরেলীতে বাঁদরে বিয়ার খেয়ে নিচ্ছে, মদের দোকানের মাথায় বাড়ি! দেখুন ভিডিও