দ্য ওয়াল ব্যুরো : সমালোচনার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই জবাব। সোমবার কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়ঙ্কা গান্ধী উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের সমালোচনা করে বলেছিলেন, তিনি যেভাবে প্রতিবাদীদের ওপরে বদলা নেওয়ার কথা বলেছেন, তা ভারতীয় সংস্কৃতির সঙ্গে সাযুজ্যপূর্ণ নয়। যোগী তার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে পালটা টুইট করে বলেছেন, কেউ যদি সন্ন্যাসীর সেবামূলক কাজে বাধা দিতে চায়, তবে শাস্তি পাবে।
ভগওয়ামেলোককল্যাণ নামে হ্যাশট্যাগে টুইট করে যোগী বলেছেন, "এক সন্ন্যাসী লোককল্যাণে ক্রমাগত চেষ্টা করে যাচ্ছেন। কেউ যদি তাতে বাধা দেয় তবে শাস্তি পাবে। যারা পারিবারিক সূত্রে রাজনীতি করে, তোষণের রাজনীতি করে, তারা জনসেবার অর্থ বুঝতে পারবে না।"
সোমবার সাংবাদিক বৈঠকে প্রিয়ঙ্কা বলেন, "ভারতের আত্মায় প্রতিশোধ, হিংসা ও ক্রোধের কোনও জায়গা নেই।" রামায়ণ ও মহাভারতের কথা তুলে তিনি বলেন, "এ হল ভগবান কৃষ্ণের দেশ। তিনি ছিলেন দয়ার প্রতিমূর্তি। ভগবান রাম ছিলেন দয়ার প্রতিমূর্তি। শ্রীকৃষ্ণ যখন কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধের আগে অর্জুনকে উপদেশ দিয়েছিলেন, কোথাও প্রতিশোধ নেওয়ার কথা বলেননি। তিনি কেবল দয়া ও সত্যের অনুভূতির কথা বলেছেন।"
প্রিয়ঙ্কার সাংবাদিক বৈঠকের কিছু পরেই উত্তরপ্রদেশের উপমুখ্যমন্ত্রী দীনেশ শর্মা বলেন, কংগ্রেস নেত্রী ধর্মীয় সংঘাত তৈরি করতে চলেছেন। তাঁর কথায়, "যোগীজি একটি ধর্মকে আত্মস্থ করেছেন। হিন্দু ধর্ম কখনও কারও ক্ষতি করতে শেখায় না।" উপমুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, যারা হিংসাত্মক কাজকর্ম করে, প্রিয়ঙ্কা তাদের পক্ষে দাঁড়াচ্ছেন।
যোগী বলেছিলেন, উত্তরপ্রদেশে নাগরিকত্ব বিলের প্রতিবাদে যারা হিংসাত্মক আন্দোলন করেছে, তাদের ওপরে প্রতিশোধ নেওয়া হবে। দীনেশ শর্মা বলেন, যোগী বোঝাতে চেয়েছিলেন বিক্ষোভের সময় যারা সরকারি সম্পত্তি ধ্বংস করেছে, তাদের থেকে ক্ষতিপূরণ আদায় করা হবে।