
অধীর রঞ্জন চৌধুরী।
শেষ আপডেট: 8 May 2024 15:14
দ্য় ওয়াল ব্য়ুরো: মালদহ উত্তর ও দক্ষিণের সঙ্গে মঙ্গলবার তৃতীয় দফায় ভোট হয়েছে মুর্শিদাবাদ ও জঙ্গিপুরে। দুটি আসনেই তৃণমূল পরাজিত হয়েছে বলে ভোট শেষ হওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দাবি করলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীররঞ্জন চৌধুরী।
প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালে মুর্শিদাবাদ থেকে ২ লাখ ২৬ হাজার ৪১৭ ভোটের ব্য়বধানে জয়ী হয়েছিলেন তৃণমূলের আবু তাহের খান। এবারেও ভোটে দাঁড়িয়েছেন আবু তাহের। এখানে বামজোট প্রার্থী সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম। অন্যদিকে জঙ্গিপুর থেকেও গতবারে তৃণমূলের খলিলুর রহমান প্রায় আড়াই লক্ষ ভোটে জয়ী হয়েছিলেন।
স্বভাবতই, কীসের ভিত্তিতে দুটি আসনে তৃণমূলের পরাজয় সম্পর্কে নিশ্চিত হচ্ছেন অধীর?
প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির দাবি, "মঙ্গলবার মুর্শিদাবাদ জেলায় কোনও বুথ তৃণমূল দখল করে ভোট করেছে-এরকম খবর আমাদের কাছে নেই। সেকারণেই পরাজয় নিশ্চিত এটা বুঝতে পেরেই ভোটের পর হতাশা থেকে হিংসার রাজনীতি শুরু করেছে তৃণমূল।"
একইসঙ্গে অধীরের হুঁশিয়ারি, "এটা মুর্শিদাবাদ। এখানে একতরফা কিছু হবে না। প্রত্যেকটা হামলার মোকাবিলা হবে।"
অর্থাৎ অধীর স্পষ্ট করেছেন, মুর্শিদাবাদের কোনও প্রান্তে হামলা হলে পাল্টা প্রতিরোধ হবেই। এ ব্যাপারে মানুষকে আরও সাহসী হওয়ার পরামর্শও দিয়েছেন তিনি।
১৩ মে চতুর্থ দফার ভোট। চতুর্থ দফায় বাংলার ৮টি লোকসভা কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ হবে। কৃষ্ণনগর, রানাঘাট, বর্ধমান পূর্ব, বর্ধমান-দুর্গাপুর, আসানসোল, বোলপুর, বীরভূমের সঙ্গে ভোট হবে অধীর-গড় হিসেবে পরিচিত বহরমপুরেও।
অধীর বলেন, "কোথাও কোনও গোলমাল হলে সেটা কমিশনের নজরে আনতে হবে। তৃণমূল তো পুলিশের মদতে চুরি, ছ্যাঁচরামি করার চেষ্টা করবেই। তবে একটা কথা বলতে পারি, মানুষের প্রতিরোধ শেষ কথা বলবে। মানুষ প্রতিরোধ না করতে পারলে তো কমিশন ঘরে ঘরে গিয়ে ভোট দেওয়ার ব্যবস্থা করতে পারবে না।"