
অধীররঞ্জন চৌধুরী
শেষ আপডেট: 31 July 2024 20:29
দ্য ওয়াল ব্যুরো: লোকসভা ভোট পরবর্তী বৈঠকে যোগ দিতে দিল্লিতে গিয়ে অধীর চৌধুরী আবিষ্কার করেছেন তিনি নাকি প্রদেশ কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি! অধীর নিজেই সংবাদমাধ্যমকে একথা জানিয়েছেন। তাঁকে না জানিয়ে পদ থেকে এভাবে সরিয়ে দেওয়া নিয়ে ঘনিষ্ঠ মহলে ক্ষোভও প্রকাশ করেছেন বহরমপুরের প্রাক্তন সাংসদ।
এই পরিস্থিতিতে অধীর চৌধুরীকে সরাসরি তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানালেন কান্দির তৃণমূল বিধায়ক অপূর্ব সরকার। তিনি জানান, অধীর যদি মুর্শিদাবাদের মানুষের জন্য কাজ করতে চান, তাহলে তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে কথা বলে তৃণমূলে যোগ দিতে পারেন।
অপূর্ব সরকার বলেন, 'আমি অধীরবাবুকে সরিয়ে দেওয়ার খবর টিভিতে দেখছিলাম, পেপারেও পড়েছি। আমি একটা কথাই বলব। বর্তমান রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপট, সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে লড়াই, আমাদের জেলাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রচেষ্টা-- এসব মাথায় রেখেই বলছি, আমরা মুর্শিদাবাদের মানুষ, সবাই মুর্শিদাবাদের ভাল চাই। আপনিও আসুন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে কথা বলে।'
অর্থাৎ অধীরবাবুকে তৃণমূলে যোগ দেওয়ার কথা বলেন তিনি। তাঁর কথায়, 'আপনি যদি কাজ করতে চান মানুষের জন্য, মুর্শিদাবাদের জন্য, আসুন আমরা সবাই মিলে একসঙ্গে কাজ করি।'
এ নিয়ে অবশ্য অধীর চৌধুরীর কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
প্রসঙ্গত, গতকাল সংবাদমাধ্যমকে অধীর জানিয়েছেন, সোমবার দিল্লিতে আলোচনা শুরু হওয়ার আগে এআইসিসি পর্যবেক্ষক গোলাম মীর তাঁকে 'ফর্মার কংগ্রেস প্রেসিডেন্ট' হিসেবে সম্বোধন করেন।
সূত্রের খবর, সোমবার প্রদেশ নেতৃত্বর রদবদল নিয়েই বৈঠক ডেকেছিল শীর্ষ নেতৃত্ব। ফলে রদবদলের সম্ভাবনা ছিলই। কিন্তু সেই বৈঠকের আগেই এআইসিসির পর্যবেক্ষক অধীরকে প্রাক্তন হিসেবে সম্বোধন করার বিষয়টিকে ভাল ভাবে নেননি বহরমপুরের প্রাক্তন সাংসদ।
তবে দলগতভাবে এখনও এ ব্যাপারে কিছু ঘোষণা হয়নি। সূত্রের খবর, সোমবারের বৈঠকে কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক সংগঠন কে সি বেনুগোপাল প্রদেশ নেতৃত্বের মতামত জানতে প্রত্যেকের সঙ্গে আলাদা আলাদা করে কথা বলেন। বৈঠকে অনেকেই রদবদলের পক্ষে মত দেন বলে সূত্রের খবর।