
নবান্ন
শেষ আপডেট: 5 July 2024 23:32
দ্য ওয়াল ব্যুরো: রাজ্য জুড়ে হঠাৎ করেই গণপিটুনির দৌরাত্ম্য। একের পর এক গণপিটুনির ঘটনা উঠে এসেছে শিরোনামে। শুধু জেলায় জেলায় নয়, খাস কলকাতাতেও গণপিটুনির শিকার হয়েছেন কয়েকজন। একে গণপিটুনি, তারই সঙ্গে দোসর ডাকাতির বাড়বাড়ন্ত। বিগত কয়েক সপ্তাহে প্রশ্নের মুখে পড়েছে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা। ইতিমধ্যে এই নিয়ে নড়েচড়ে বসেছে রাজ্য সরকার। এবার গণপিটুনি রুখতে পুলিশ কর্তাদের কাছেও এল কড়া বার্তা।
শুক্রবার রাজ্য পুলিশের এক ঝাঁক শীর্ষ আধিকারিকদের নিয়ে ভবানীভবনে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক ছিল। সেখানে হাজির ছিলেন এডিজি সিআইডি, এডিজি আইবি, এডিজি আইন-শৃঙ্খলা, এডিজি ট্র্যাফিক, এডিজি লিগ্যাল এবং নিরাপত্তা অধিকর্তা৷ এছাড়াও ভার্চুয়ালি উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন জেলার পুলিশ সুপাররা। আর সেই বৈঠকেই গণপিটুনি রুখতে বেশ কিছু জায়গায় পুলিশের খামতি ছিল, এমনই প্রশ্ন ওঠে বলে নবান্ন সূত্রের খবর।
সূত্র মারফত আরও জানা গিয়েছে, সাম্প্রতিককালে রাজ্যে ঘটে চলা একের পর এক গণপিটুনির ঘটনা কেন ঠেকানো যাচ্ছে না, তা নিয়ে রীতিমতো বৈঠকে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এডিজি সিআইডি। সঙ্গে তাঁর কড়া নির্দেশ, গণপিটুনির মতো অপরাধ রুখতে কোনও রকম খামতি বরদাস্ত করা হবে না। পুলিশ কর্তাদের নজরদারি আরও বাড়াতে হবে। বেআইনি অস্ত্র উদ্ধার এবং মহিলাদের দায়ের করা অভিযোগের ক্ষেত্রেও পুলিশকে সক্রিয় হতে হবে।
অন্যদিকে, এসপি-সিপিদের ‘জিরো টলারেন্স’ নিয়ে চলারও বার্তা দেওয়া হয়েছে। আগামী দিনে গণপিটুনির অভিযোগ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই পদক্ষেপ নেওয়ার বার্তা দিয়েছেন এডিজি আইনশৃঙ্খলা মনোজ ভার্মা।
এদিনের বৈঠকে উল্লেখযোগ্য ভাবে উঠে আসে ‘গ্যাংস্টার’ প্রসঙ্গও। বিহারের সুবোধ সিংয়ের মতো দুষ্কৃতীদের শাস্তি সুনিশ্চিত করার বিষয়েও কড়া নির্দেশ দিয়েছেন এডিজি আইনশৃঙ্খলা। সেক্ষেত্রে পুলিশ কমিশনার এবং এসপিদের বর্ডার অঞ্চলের গ্যাংস্টারদের গতিবিধির উপর নজর রাখারও বার্তা দেওয়া হয়েছে।
নবান্ন সূত্রের খবর, রথযাত্রা নিয়েও এদিন সব জেলার এসপি, সিপিদের সতর্ক করেন রাজ্য পুলিশের শীর্ষ কর্তারা। যে রুটগুলি দিয়ে রথযাত্রা যাবে সেগুলির উপর বিশেষ নজর রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলিতে সিভিল ড্রেসে পুলিশ বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছেন এডিজি আইনশৃঙ্খলা মনোজ ভার্মা।