
প্রতীকা ছবি
শেষ আপডেট: 14 November 2024 19:04
দ্য ওয়াল ব্যুরো: সরকারি প্রকল্পের ট্যাবের টাকা সরাতে অ্যাকাউন্ট ভাড়া নিয়েছিল প্রতারকরা। প্রতি ১০ হাজার টাকায় ৩০০ টাকার বিনিময়ে ভাড়া নেওয়া হয়েছিল অ্যাকাউন্টগুলি। ট্যাব কেলেঙ্কারি নিয়ে রাজ্যজুড়ে শোরগোলের মধ্যে উঠে এল এই চাঞ্চল্যকর তথ্য।
ট্যাব কেলেঙ্কারির ঘটনায় যাদের গ্রেফতার করেছে পুলিশ, তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশের সন্দেহ, প্রত্যন্ত এলাকায় কোনও স্কুলেই স্থায়ী কম্পিউটার অপারেটর নেই। ফলে এই ধরণের কাজের জন্য হয় অস্থায়ীভাবে তাদের কর্মী নিয়োগ করতে হয়, না হলে স্থানীয় সাইবার কাফেগুলিতে যেতে হয়। সেখান থেকেই ফাঁস হয়েছে পোর্টালের পাসওয়ার্ড। ইতিমধ্যেই মালদার ভগবানপুর কেবিএস স্কুলে চুক্তিভিত্তিক কম্পিউটার শিক্ষক রকি শেখের বিরুদ্ধে একাধিক স্কুলের অ্যাকাউন্টের লগইন ক্রেডেনশিয়াল সরবরাহ করার অভিযোগ আনা হয়েছে। সে তছরুপে সহায়তা করেছে বলে প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে। তাকে গ্রেফতারও করেছে পুলিশ।
ধৃতদের জেরা করে গোয়েন্দারা জানতে পেরেছেন, এই ধরণের প্রতারণায় ব্যবহারের জন্য ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ভাড়া নিয়ে থাকেন প্রতারকরা। কোনও ব্যক্তির ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ভাড়া নিয়ে ১০ হাজার টাকা লেনদেন পিছু তাকে ৩০০ টাকা করে দিতে হয়। তারপর ওই ব্যক্তির এটিএম কার্ড নিজের কাছে রেখে দেয় প্রতারকরা। টাকা ঢুকলেই টাকা সরিয়ে ফেলে তারা। গ্রামাঞ্চলের নিম্নবিত্ত মানুষজন খুব সহজেই প্রতারকদের ফাঁদে পড়েছেন।
এমন পরিস্থিতিতে ট্যাব কেলেঙ্কারি রুখতে তরুণের স্বপ্ন প্রকল্পের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টসহ অন্যান্য তথ্য আপলোডের দায়িত্ব পড়ুয়াদের হাতেই ছেড়ে দেওয়ার ব্যাপারে ভাবনা চিন্তা শুরু করল সরকার। আধিকারিকরা মনে করছেন একমাত্র এভাবেই এই কেলেঙ্কারির প্রবণতা রোখা যাবে।