
শেষ আপডেট: 31 March 2023 11:17
দ্য ওয়াল ব্যুরো: 'দেশের একজন শিক্ষিত প্রধানমন্ত্রী দরকার,' এই প্রচার শুরু করেছে আম আদমি পার্টি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর (Prime Minister Narendra Modi) শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করে এমন প্রচারের পাশাপাশি তাঁর ডিগ্রির (Marksheet, certificates) প্রমাণ চেয়ে জাতীয় তথ্য কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছিলেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজিওয়াল।
শুক্রবার গুজরাত হাইকোর্টের একটি সিঙ্গল বেঞ্চ রায় দিয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর ডিগ্রির কপি প্রকাশ করতে বাধ্য নয় তাঁর অফিস এবং বিশ্ববিদ্যালয়।
প্রধানমন্ত্রীর দাবি তিনি ১৯৭৮ সালে গুজরাত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গ্র্যাজুয়েশন সম্পন্ন করেছেন। মাস্টার্স করেছেন দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে, ১৯৮৩ সালে।
দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী কেজরিওয়াল দিল্লি ও গুজরাত বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে প্রধানমন্ত্রীর ডিগ্রির প্রতিলিপি চেয়ে না পেয়ে জাতীয় তথ্য কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। কমিশন প্রধানমন্ত্রীর অফিস এবং বিশ্ববিদ্যালয়কে বলেছিল, ডিগ্রির প্রতিলিপি প্রকাশ করতে।
তথ্য কমিশনের ওই আদেশের বিরুদ্ধে গুজরাত হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয় সেই রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়। তারা বলে, একজন পড়ুয়ার ডিগ্রির কপি তারা অন্য একজনকে দিতে পারে না। তাৎপর্যপূর্ণ হল, গুজরাত বিশ্ববিদ্যালয়ের হয়ে আদালতে সওয়াল করেন কেন্দ্রীয় সরকারের আইন আধিকারিক সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা। তিনি বলেন, এই দাবির সঙ্গে জনস্বার্থের কোনও সম্পর্ক নেই। প্রধানমন্ত্রী হওয়ার জন্য বিশেষ ডিগ্রির কোনও প্রয়োজন নেই।
তিনি আরও বলেন, নরেন্দ্র মোদী একজন পাবলিক সার্ভেন্ট বলেই তাঁর ডিগ্রির প্রমাণ দেওয়া বাধ্যতামুলক হতে পারে না। বিশ্ববিদ্যালয়কেও তাঁর ডিগ্রি প্রকাশ করতে বাধ্য করা যায় না। সলিসিটর জেনারেল বলেন, আমি একজন সরকারি পদাধিকারী বলেই কেউ জানতে চাইতে পারে না ব্রেকফাস্টে আমি কী খেয়েছি। যদি সরকারি পয়সায় ব্রেকফাস্ট করে থাকি তাহলে বড়জোর খরচের হিসাব চাইতে পারে কেউ।
বিচারপতি বীরেন বৈষ্ণব সলিসিটর জেনারেলের বক্তব্যে সায় দেওয়ার পাশাপাশি দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করেন।
নতুন রাস্তায় জুতো দিয়ে খোঁচালেই উঠে আসছে পিচ, গর্ত হয়ে যাচ্ছে! ভিডিও ভাইরাল