
শেষ আপডেট: 13 May 2023 11:50
দ্য ওয়াল ব্যুরো: একদা বাংলায় প্রচারে এসে নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi) বলতেন, বিজেপি এ রাজ্যে জিতলে ‘দোনো হাত মে লাড্ডু’। অর্থাৎ দিল্লি ও বাংলায় বিজেপির সরকার থাকলে দিনে রাতে উন্নয়ন হবে। তাঁর কথায়, ডবল ইঞ্জিন সরকার। শনিবার কর্নাটকে সেই ডবল ইঞ্জিন লাইনচ্যূত হতেই তীব্র টিপ্পনি করলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। তাঁর কথায়, ডবল ইঞ্জিন আসনে ট্রাবল ইঞ্জিন। ৪০ শতাংশ কমিশনের সরকার। গত পাঁচ বছর ধরে ৪০ পারসেন্ট কমিশন খাওয়ার পর কর্নাটকের মানুষ তাদের দূর দূর করে তাড়িয়েছে।
কর্নাটকে (Karnataka Assembly Election) বিজেপি যেভাবে ধরাশায়ী হয়েছে তাতে দৃশ্যত খুশি জোড়াফুল। কারণ বাংলায় বিজেপির যে আস্ফালন ইদানীং দেখা যাচ্ছে, তা কর্নাটকের ফলাফলে অনেকটা ধাক্কা খেয়েছে বলে মনে করছেন অনেকে। কারণ, ডবল ইঞ্জিন মডেল কাজে আসেনি। হয় সেই ইঞ্জিন কার্যকরী ছিল না বা মানুষ তাতে লুব্ধ হননি।
অভিষেক এদিন আরও বলেন, বিজেপি যে সব প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল তা কোনওটা পালন করেনি। না এসেছে আচ্ছে দিন, না কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হয়েছে। মানুষ ন্যূনতম চাহিদার জিনিস পাচ্ছে না। একশ দিন সহ সামাজিক প্রকল্পে টাকাও কমে গেছে। সুতরাং ভাঁওতাবাজি ধরা পড়ে গিয়েছে। তাই বাংলায় যেরকম নো ভোট টু বিজেপি হয়েছিল, সেরকমই কর্নাটকে হয়েছে। বাংলার পর কর্নাটকের মানুষ বিজেপিকে ল্যাজেগোবরে করে ছেড়েছে। চব্বিশেও তাই হবে গোটা দেশে।
কর্নাটকে ভোট ফলাফল এমনই হয়েছে যে বিজেপির আজ বিশেষ কিছু বলার ছিল না। তবে মমতা ও অভিষেকের প্রতিক্রিয়া শুনে বিজেপি মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য বলেছেন, তৃণমূলের আনন্দের কিছু নেই। বাংলায় যে অনাচার হয়েছে, তার জবাব দিতে প্রস্তুত রয়েছে মানুষ।
অভিষেক অবশ্য এদিন দাবি করেছেন, তাঁর যাত্রায় এ সব নিয়ে কোনও ক্ষোভ অভিযোগ তিনি শুনতে পাচ্ছেন না। বরং তৃণমূল সরকার যেভাবে গ্রাম বাংলায় পরিষেবা পৌঁছে দিয়েছে তাতে মানুষ খুশি। তাঁর কথায়, মানুষ ঘৃণার রাজনীতি চায় না। মানুষ সারাক্ষণ ধর্ম ধর্ম শুনতে চায় না। মানুষ কাজ চায়, পরিষেবা চায়। বিজেপি সেটা দিতে পারেনি বলেই হেরেছে।
কর্নাটকের জয় নিয়ে জনতাকে অভিবাদন, কংগ্রেসের ‘সাফল্য’ নিয়ে কেন চুপ মমতা,অভিষেক