
শেষ আপডেট: 6 November 2023 14:23
দ্য ওয়াল ব্যুরো: মন্ত্রীর ‘অনুরোধ’ ফেলতে পারেননি। তাই মন্ত্রীর কথা মতোই নিজের মা ও স্ত্রীকে বাঁকুড়ার দুটি সংস্থার ডিরেক্টর পদে বসিয়েছিলেন বলে তদন্তকারী সংস্থার কাছে দাবি করলেন অভিজিৎ দাস।
২০১১ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত জ্যোতিপ্রিয়ের আপ্তসহায়ক হিসাবে কাজ করেছেন অভিজিৎ। গত ২৬ অক্টোবর মন্ত্রীকে গ্রেফতারের দিনেই হাওড়ার ব্যাঁটরায় তাঁর বাড়িতেও তল্লাশি চালিয়েছিল ইডি। সেখান থেকে উদ্ধার হয়, ‘বালুদা’ লেখা একটি মেরুন ডায়েরি। ওই ডায়েরির সূত্রেই তারপর থেকে প্রায় প্রতিদিন সিজিওতে ডেকে অভিজিৎকে জেরা করছেন তদন্তকারীরা। সোমবারও সিজিওতে ডাকা হয়েছিল তাঁকে।
সিজিওতে ঢোকার সময় এদিন অভিজিৎ সংবাদমাধ্যমের কাছে দাবি করেছেন, ‘‘মন্ত্রীর কথা মতো আমার মা এবং স্ত্রীকে সংস্থার ডিরেক্টর করা হয়েছিল। তবে বিশ্বাস করুন, আমার মা বা স্ত্রীর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে কোনওদিন এক টাকাও ঢোকেনি।”
রেশন দুর্নীতির তদন্তে নেমে একাধিক ভুয়ো সংস্থার হদিশ পান তদন্তকারীরা। ইডির দাবি, এই ভুয়ো সংস্থার মাধ্যমেই রেশনের পাচার করা চাল, গমের কালো টাকা সাদা করা হত। তদন্তকারীদের মতে, নিখুঁত পরিকল্পনা করেই এই দুর্নীতির চক্র গড়ে তোলা হয়েছিল। যে কারণে ভুয়ো সংস্থাগুলির কোথাওই মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের নাম নেই। পরিবর্তে কোথাও নিজের স্ত্রী, মেয়ে কোথাও বা আপ্ত সহায়কের পরিবার, এমনকী বাড়ির কাজের লোকের পরিবারের সদস্যদেরও ডিরেক্টর পদে বসানো হয়েছিল।
ইডি সূত্রের খবর, ‘বালুদা’ নামাঙ্কিত ওই মেরুন ডায়েরির ছত্রে ছত্রে হিসেব! অধিকাংশই লাখে। রয়েছে একাধিক ব্যক্তির নাম ও ফোন নম্বরও। বেশ কিছু কোম্পানির নামও রয়েছে ওই ডায়েরিতে। এই সংক্রান্ত বিষয়েই আজ সোমবার যাবতীয় নথি নিয়ে অভিজিৎকে সিজিওতে তলব করেছিল তদন্তকারীরা।