
শেষ আপডেট: 23 January 2023 07:51
দ্য ওয়াল ব্যুরো: 'রামচরিতমানস'-এর (Ramcharitmanas) বিরুদ্ধে মুখ খুলে আগেই বিতর্কে জড়িয়েছেন বিহারের শিক্ষামন্ত্রী চন্দ্রশেখর (Bihar Education Minister)। এবার তাঁর কথাতেই গলা মেলালেন দিল্লির আপ সরকারের প্রাক্তন মন্ত্রী (AAP leader) রাজেন্দ্র পাল গৌতম। চন্দ্রশেখরের কথায় গলা মিলিয়েছেন উত্তরপ্রদেশে যোগী আদিত্যনাথের মন্ত্রিসভার প্রাক্তন সদস্য স্বামী প্রসাদ মৌর্যও। তিনি অবশ্য এখন সমাজবাদী পার্টির নেতা। গত বছর বিধানসভা ভোটের আগে মন্ত্রিত্বে ইস্তফা দিয়ে বিজেপি ত্যাগ করেন তিনি।
গত সপ্তাহে নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে বিহারের নীতীশ কুমারের সরকারের শিক্ষামন্ত্রী তথা আরজেডি নেতা চন্দ্রশেখর বলেছিলেন, ' রামচরিতমানস সমাজে বিদ্বেষ ছড়ায়, বিভাজন সৃষ্টি করে। রামচরিতমানস দলিত বিরোধী।'
শুধু রামচরিতমানস নয়, আরও একটি বই নিয়ে আপত্তি তোলেন চন্দ্রশেখর। তিনি বক্তৃতায় বলেন, "রামচরিতমানস, মনুস্মৃতির মতো বইগুলি ঘৃণা ও সামাজিক বিভাজন তৈরি করে।
গতকাল লখনউতে স্বামী প্রসাদ বলেন, চন্দ্রশেখর ভুল কিছু বলেননি। রামচরিতমানসের কথা মোটেই অনুসরণযোগ্য কিছু নয়। এই বই দলিত বিরোধী।

রাজস্থানে এক অনুষ্ঠানে একই কথা বলেছেন দিল্লির প্রাক্তন মন্ত্রী তথা আপ নেতা রাজেন্দ্র পাল গৌতম। তিনিও চন্দ্রশেখরের সমর্থনে বলেন, রামচরিতমানসের মধ্যে আছে জাতি বিদ্বেষের বার্তা।
প্রসঙ্গত, বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী গৌতম গত বছর বুদ্ধের অনুগামীদের সভায় হিন্দু দেবদেবীদের পুজো না করতে আর্জি জানিয়েছিলেন। তাঁর কথা নিয়ে বিতর্কের মুখে দলের চাপে মন্ত্রিত্ব থেকে ইস্তফা দিতে হয় তাঁকে।
বিহারের শিক্ষামন্ত্রী বলেছিলেন 'যে কোনও জাতি ভালোবাসায় মহান হয়। রামচরিতমানস, মনুস্মৃতি ঘৃণা ও সামাজিক বিভাজনের বীজ বপন করে। এই কারণেই মানুষ মনুস্মৃতি পোড়ায় এবং রামচরিতমানসের একটি অংশ এড়িয়ে যায়। এই অংশে দলিত, পিছিয়ে পড়া এবং মহিলাদের শিক্ষার বিরুদ্ধে লেখা রয়েছে।'
আরজেডি নেতা চন্দ্রশেখরের কথা নিয়ে বিহারে এখনও রাজনৈতিক বিতর্ক চলছে। ফাটল ধরেছে শাসক জোটের প্রধান দুই দল আরজেডি এবং জেডিইউর সম্পর্কে।
লাদাখে 'অল ইজ নট ওয়েল'! মোদীকে চিঠি লিখলেন বাস্তবের ব়্যাঞ্চো