দ্য ওয়াল ব্যুরো: পুলওয়ামার হামলার পর গোটা উপত্যকা জুড়েই জঙ্গিদের খোঁজে চলছে চিরুণি তল্লাশি। চলতি মাসেই একাধিক বার ফের পুলওয়ামাকেই টার্গেট করেছে সন্ত্রাসবাদীরা। সেনার সঙ্গে গুলির লড়াই চলেছে সোপোর, ত্রাল, পুঞ্চ-সহ একাধিক ঘাঁটিতে। জম্মু-কাশ্মীরের নানা জায়গায় পালা করে হামলা চালাচ্ছে জইশ, হিজবুল মুজাহিদিন-সহ পাক মদতপুষ্ট সন্ত্রাসবাদীদের সংগঠন। গত দু’সপ্তাহ ধরে সোপিয়ানে একাধিক বার এনকাউন্টার হয়েছে। সেনা সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার রাত থেকে ফের সোপিয়ানে শুরু হয়েছে গুলির লড়াই। এলাকায় হিজবুল, লস্করের একাধিক কম্যান্ডারের লুকিয়ে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।
সোপিয়ানের দ্রাগড় সুগান এলাকায় গতকাল থেকেই চলছে গুলির লড়াই। সেনা সূত্রে খবর, এই এলাকায় জঙ্গি লুকিয়ে থাকার সম্ভাবনায় অভিযান চালায় সেনা-পুলিশ যৌথ বাহিনী। গোপন আস্তানা থেকে সেনাদের লক্ষ্য করে গুলি ছুড়তে শুরু করে জঙ্গিরা। পাল্টা আঘাত শানায় সেনারাও। এনকাউন্টারে এক জঙ্গির খতম হওয়ার খবর মিলেছে। তবে সে কোন সন্ত্রাসবাদী সংগঠনের সেটা এখনও স্পষ্ট নয়।
গোটা এলাকা ঘিরে রেখেছে সেনা ও পুলিশের স্পেশাল ফোর্স। দফায় দফায় চলছে গুলি বিনিময়। গতকালই সোপোর ও বারামুলার এনকাউন্টারে খতম হয়েছিল দুই জঙ্গি। গোয়েন্দা সূত্র জানাচ্ছে, চলচি মাসে উপত্যাকার নানা এলাকায় মোট ২০ জন জঙ্গিকে খতম করেছে সেনাবাহিনী।
জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (এনআইএ) সূত্রে খবর, জইশের পরে পুলওয়ামা ধাঁচেই সিআরপিএফ কনভয়ে ফের বড়সড় আত্মঘাতী হামলা চালাতে পারে উপত্যকার হিজবুল গোষ্ঠী। তার জন্য ইতিমধ্যেই হিজবুল মাথারা এক হয়ে চলছে গোপন শলা-পরামর্শ। পুলওয়ামায় আত্মঘাতী হামলার পরে উপত্যকায় চিরুণি তল্লাশি চালিয়ে একাধিক হিজবুল কম্যান্ডারকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। তাদের মধ্যে রয়েছে, হিলাল আহমেদ মান্টো। নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন জামাত-এ-ইসলামির স্টুডেট উইং-এর মাথা সে। পঞ্জাবের বাটিন্ডার সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি থেকে তাকে পাকড়াও করেছিল এনআইএ। হিলালকে জেরা করেই হিজবুলের নতুন ছকের কথা জানতে পেরেছেন গোয়েন্দারা। এমনকি এও খবর মিলেছে, উপত্যকার হিজবুলদের সাহায্য করছে পাকিস্তানের হিজবুল মাথা সায়েদ সালাউদ্দিন।
আরও পড়ুন:
https://www.four.suk.1wp.in/news-national-hizbul-mujahideen-tried-copycat-attack-on-crpf-convoy-in-jammu-and-kashmir/