
ফাইল ছবি।
শেষ আপডেট: 29 March 2025 13:07
দ্য ওয়াল ব্যুরো: কেউ কিডনি দিতে চাইলে স্বাস্থ্য দফতর থেকে অনুমতি নিতে হয়। এরপর আদালত থেকে অনুমতি নিয়ে তবেই কিডনি দান করা যায়। কিন্তু স্বাস্থ্য দফতর বাতিল করে দিয়েছে এমন একাধিক আবেদনই মোটা টাকার বিনিময়ে অনুমতি পাইয়ে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ (Kidney Trafficking Cycle)।
সম্প্রতি কিডনি পাচার চক্রের তদন্তে নেমে বিকাশ ঘোষ ওরফে শীতল নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে অশোকনগর থানার পুলিশ। সেই সূত্রে দুই আয়া-সহ আরও চারজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ধৃতদের জেরা করে পুলিশ জানতে পেরেছে, পুরো কিডনি পাচার চক্রের নেপথে রয়েছেন একজন চিকিৎসক এবং আইনজীবী।
তদন্তকারীদের অনুমান, এই চিকিৎসক এবং আইনজীবীর কারসাজিতেই জেলা স্বাস্থ্য দফতর থেকে বাতিল হয়ে যাওয়া আবেদনগুলি পরে অনুমোদন পেয়ে যেত। সেক্ষেত্রে পুরো ঘটনার নেপথ্যে স্বাস্থ্য দফতরের একাংশ কর্মীর জড়িত থাকার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দিচ্ছেন না তদন্তকারীরা।
বারাসত পুলিস জেলার সুপার প্রতীক্ষা ঝাড়খড়িয়া জানিয়েছেন, কিডনি পাচার কাণ্ডে একাধিকজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার বয়ানের ভিত্তিতে পুলিশের নজরে রয়েছে আরও কয়েকজন। তদন্তের স্বার্থে এখনই বিস্তারিত বলা সম্ভব নয়।
পুলিশের কাছে জেরায় ধৃতদের দাবি, তারা শুধু মিডিয়েটর হিসেবে কাজ করতেন। পুরো চক্রটির মাথায় রয়েছেন সংশ্লিষ্ট আইনজীবী এবং চিকিৎসক।