দ্য ওয়াল ব্যুরো: টেবিলের উপর সাজানো মোবাইল। হাতুড়ির এক এক ঘায়ে ভেঙে চলেছেন শিক্ষক। সামনে জড়োসড়ো হয়ে বসে মোবাইল-নিধন দেখছে ছাত্রীরা। তারটাও যে ভাঙবে একটু পরেই! বিষন্ন মুখে তারই প্রতীক্ষা।
কর্নাটকের এমইএস চৈতন্য পিইউ কলেজের এমন একটি ভিডিও সোশ্যাল ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। জানা গেছে, হাতুড়ি দিয়ে মোবাইলের দফারফা করছিলেন যিনি, তিনি আদতে কলেজেরই প্রিন্সিপাল। নাম আরএম ভাট। মোবাইল-সমেত ক্লাসে ধরা পড়লে বকাঝকা, মামুলি শাস্তি ঠিক আছে। তাই বলে একেবারে মোবাইল ভেঙে খানখান, এ কেমন বিচার? সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রশ্ন তুলেছেন অনেক নেটিজেনই।
তর্ক-বিতর্কের মুখে প্রিন্সিপাল জানিয়েছেন, তিনি আগেই ফরমান জারি করেছিলেন কলেজে ক্লাস চলাকালীন মোবাইল নৈব নৈব চ। বার কয়েক ছাত্রীদের বকাও দিয়েছিলেন। তাতে বিশেষ কান দিতে চায়নি কেউই। লুকিয়ে চুরিয়ে মোবাইল নিয়ে ক্লাসে ঢুকছিল অনেক ছাত্রীই। গত বৃহস্পতিবার আচমকাই ক্লাসে ক্লাসে হানা দেন তিনি। তাতেই বাজেয়াপ্ত হয় ১৬টা মোবাইল। শুধু মোবাইল কেড়েই শান্ত হননি তিনি। টেবিলের উপর সেগুলো সাজিয়ে হাতুড়ির এক এক ঘায়ে ভেঙে চুরমার করে দেন।
https://twitter.com/TOIMangalore/status/1172719932619948032?ref_src=twsrc%5Etfw%7Ctwcamp%5Etweetembed%7Ctwterm%5E1172719932619948032&ref_url=https%3A%2F%2Ftimesofindia.indiatimes.com%2Fcity%2Fhubballi%2Fkarnataka-principal-smashes-16-cellphones-seized-from-college-students%2Farticleshow%2F71121574.cms
প্রিন্সিপালের এমন কাজের বিরোধিতা করেছেন অনেকেই। দাবি, অনেক ছাত্রীই প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে কলেজে আসে। তাই তাদের মোবাইল সঙ্গে রাখতে হয়। কোনও কিছু বিবেচনা না করেই প্রিন্সিপাল এমন একটি কাণ্ড ঘটালেন, যেটা অনুচিত। প্রিন্সিপালের অবশ্য সাফ জবাব, ক্লাসে ছাত্রীরা মোবাইল নিয়ে ব্যস্ত ছিল। পড়ায় মন ছিল না কারোর। তাই তিনি একটু শাস্তি দিয়েছেন।