Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
IPL 2026: টানা চতুর্থ হারে কোণঠাসা কেকেআর, ৩২ রানে ম্যাচ জিতল সিএসকে‘ভূত বাংলো’য় সেন্সর বোর্ডের কাঁচি! বাদ গেল ৬৩টি দৃশ্য, ছবির দৈর্ঘ্য কমতেই চিন্তায় অক্ষয়ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

বয়স কোনও বাধা নয়, ইচ্ছেটা আসল! প্রমাণ করলেন ৮৭ বছরের হোমিওপ্যাথি ডাক্তার

দ্য ওয়াল ব্যুরো: কোভিড ১৯ নিয়ে যখন সবাই ভীত এবং চিন্তায় রয়েছেন তখন নিজের বয়সের তোয়াক্কা না করে মানুষের সেবা করে চলেছেন মহারাষ্ট্রের চন্দ্রাপুর গ্রামের ৮৭ বছরের হোমিওপ্যাথি ডাক্তার রামচন্দ্র দানেকার। এই রোগের সঙ্গে দিন রাত লড়াই করছেন স্বাস্

বয়স কোনও বাধা নয়, ইচ্ছেটা আসল! প্রমাণ করলেন ৮৭ বছরের হোমিওপ্যাথি ডাক্তার

শেষ আপডেট: 23 October 2020 18:30

দ্য ওয়াল ব্যুরো: কোভিড ১৯ নিয়ে যখন সবাই ভীত এবং চিন্তায় রয়েছেন তখন নিজের বয়সের তোয়াক্কা না করে মানুষের সেবা করে চলেছেন মহারাষ্ট্রের চন্দ্রাপুর গ্রামের ৮৭ বছরের হোমিওপ্যাথি ডাক্তার রামচন্দ্র দানেকার। এই রোগের সঙ্গে দিন রাত লড়াই করছেন স্বাস্থ্যকর্মীরা। চেষ্টা করছেন মানুষকে সচেতন ও সুরক্ষা দিতে। সেরকমই একজন প্রথম সারির করোনা যোদ্ধা হলেন ড. রামচন্দ্র দানেকার। তিনি সবসময় তাঁর গ্রামের মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন। করোনার থাবাতে যখন তাঁর গ্রামের মানুষেরা ভীষণ ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন,তখন তিনি নিজেই তাঁদের পাশে দাঁড়াচ্ছেন। বাইসাইকেল চালিয়ে গ্রামে গ্রামে গিয়ে মানুষের চিকিৎসা করেন ড. দানেকার। তিনি ১০-১৫ কিলোমিটার সাইকেল চালিয়ে গরিব মানুষের ঘরে ঘরে পৌঁছে দেন চিকিৎসা পরিষেবা। দীর্ঘ ৬০ বছর ধরে তিনি অক্লান্ত ভাবে সেবা করে যাচ্ছেন সাধারণ মানুষের। ডাক্তারবাবু বলেন, "শেষ ৬০ বছর ধরে আমি এখানে ডাক্তারি করছি। এই কোভিডের কারণে এখন রোজই গ্রামে গ্রামে গিয়ে চিকিৎসা করি, কারণ অনেক ডাক্তারবাবুই এখানে আসতে চান না। আর আজকালকার দিনের নতুন ডাক্তাররা তো শুধু টাকা বোঝেন, তাঁরা গরিব মানুষের সেবা আর কোথায় করছেন!" তাঁর প্রাথমিক ভাবে লক্ষ্য থাকে একদিনে অনেকগুলো গ্রামে গিয়ে কাজ করার। আগে তিনি রাতেও থেকে কাজ করতে পারতেন কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতির কারণে এখন রাতে তাঁকে বাড়ি ফিরতে হয়। এরসঙ্গেই তিনি বলেন, " আমি ততক্ষণ পর্যন্ত কাজ করে যেতে চাই যতক্ষণ আমার সমস্ত অঙ্গ সচল থাকবে। মানুষের সেবা করাই হল আমার জীবনের লক্ষ্য।" ডাক্তারবাবু সম্পর্কে গ্রামবাসীরা জানান যে,তাঁরা সবসময় তাঁদের প্রয়োজনে ডাক্তারবাবুকে পাশে পান। একটা মাত্র ফোনেই তিনি এসে হাজির হন। এমনকি এই মহামারীর সময়েও নিজের বয়সের তোয়াক্কা না করে তিনি সেবা করেন গ্রামবাসীদের। " আমাদের কাছে ডাক্তারবাবু হলেন ভগবান। উনি একমাত্র ডাক্তার যাঁকে যে কোনও দরকারে একটা ফোন করলেই পাওয়া যায়। এমনকি এই ভয়াবহ করোনার সময়ও তিনি গ্রামে এসে সেবা করেন আমাদের।" একজন গ্রামবাসী জানান। জাত ধর্ম সবকিছুর ঊর্ধ্বে গিয়ে ডাক্তারবাবু শুধু মানুষের সেবা করেন।

```