শেষ আপডেট: 7 March 2020 08:28
লিসিপ্রিয়া বলেছে, “ডিয়ার মোদীজি, প্রেরণাদাত্রী মেয়ে হিসাবে আমার নাম করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ জানাই। কিন্তু অনেক ভেবেচিন্তে আমি স্থির করলাম, আপনার দেওয়া সম্মান গ্রহণ করব না। জয় হিন্দ।”
গত শুক্রবার সরকারের তরফে পোস্ট করা হয়, ২০১৯ সালে মেয়েটি ডঃ এ পি জে আবদুল কালাম চিলড্রেন পিস প্রাইজ পেয়েছিল। সে কি অন্যদের কাছে প্রেরণাস্বরূপ নয়? আপনারা কি তার মতো আর কাউকে চেনেন? চিনলে আমাদের তার নাম জানান।
লিসিপ্রিয়া মিডিয়াকে বলেছে, এইরকম ক্যাম্পেন চালানো নিশ্চয় ভাল। কিন্তু দেশে যেভাবে মহিলা ও শিশুদের ওপরে অত্যাচার হচ্ছে, তাতে মনে হয় না এই ক্যাম্পেনে কোনও লাভ হবে। এটা অনেকটা মুখে ফেয়ারনেস ক্রিম লাগানোর মতো। একবার মুখ ধুলেই আর ক্রিমের অস্তিত্ব থাকে না।
https://twitter.com/LicypriyaK/status/1235887604970577920
আট বছরের পরিবেশকর্মীর দাবি, এমন ক্যাম্পেন চালানোর বদলে সরকার তার দাবিগুলি মন দিয়ে শুনুক। তার বক্তব্য, আমাদের নেতারা পরিবেশ দূষণের বিপদকে গুরুত্ব দিতে রাজি নন। এটাই সবচেয়ে দুঃখের কথা।
লিসিপ্রিয়া আগে দাবি তুলেছিল, কার্বন ডাই অক্সাইড ও অন্যান্য গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন নিয়ন্ত্রণের জন্য কঠোর আইন হোক। দ্বিতীয়ত, স্কুলে পরিবেশ দূষণের বিষয়টি অবশ্যপাঠ্য করা হোক। তৃতীয়ত স্কুল ফাইনাল পরীক্ষা পাশ করার আগে প্রত্যেক ছাত্রছাত্রীকে অন্তত ১০ টি করে গাছ পুঁততে বলা হোক।
২০১৮ সালের ৪ জুলাই মঙ্গোলিয়ায় রাষ্ট্রপুঞ্জের এক সভায় প্রথমবার ভাষণ দেয় লিসিপ্রিয়া। সারা বিশ্বের নেতারা যাতে পরিবেশ দূষণ রোধে সচেষ্ট হন, সেজন্য সে ‘চাইল্ড মুভমেন্ট’ অর্থাৎ শিশুদের নিয়ে আন্দোলনের ডাক দেয়। ২০১৯ সালের জুলাই মাসে সে দিল্লিতে সংসদ ভবনের সামনে বিক্ষোভ দেখায় এক সপ্তাহ ধরে।