শেষ আপডেট: 7 January 2020 11:26
গত ১৮ ডিসেম্বর নির্ভয়া মামলার শুনানিতে সুপ্রিম কোর্ট জানিয়ে দেয়, ২০১৭ সালের রায়ে কোনও ভুল ছিল না। নতুন করে ভাবনা-চিন্তা করার কিছু নেই। মৃত্য়ুদণ্ডের সাজাই বহাল রাখা হবে। দোষী অক্ষয় ঠাকুরের রিভিউ পিটিশনও খারিজ করে দেয় দেশের শীর্ষ আদালত। অক্ষয় ঠাকুরের পর আর এক দোষী পবন গুপ্তাও আদালতে আবেদন জানিয়েছিল। পবনের আইনজীবী এপি সিং-এর কথায় ঘটনার সময় অর্থাৎ ২০১২ সালে নাবালক ছিল তাঁর মক্কেল। তাই সাজা যেন জুভেনাইল জাস্টিস অ্যাক্ট অনুযায়ী হয়।
২০১২ সালের ১৬ ডিসেম্বর রাজধানী শহর দিল্লিতে গভীর রাতে ফাঁকা বাসে জোর করে তুলে নেওয়া হয় বছর কুড়ির এক তরুণীকে। মেডিক্যালের ওই ছাত্রীর উপর চলে অমানবিক অত্যাচার। নৃশংশতার সীমা পেরিয়ে পাঁচজন মিলে তরুণীকে গণধর্ষণ করে। এই ঘটনায় ৫ অভিযুক্তের ফাঁসির আদেশ দেয় নিম্ন আদালত। জেলে থাকাকালীনই এক দোষী রাম সিং আত্মহত্যা করে। আর এক দোষী অপরাধের সময় নাবালক হওয়ায় সর্বোচ্চ তিন বছর জেল খাটার পর ছাড়া পেয়ে যায়।