দ্য ওয়াল ব্যুরো : গত ১৭-১৯ ডিসেম্বর হরিদ্বারে এক ধর্ম সংসদে (Dharma Sansad) ঘৃণাভাষণের (Hate Speech) অভিযোগ ওঠে। তার তদন্তে পাঁচ সদস্যের বিশেষ তদন্তকারী দল (SIT) গঠন করল উত্তরাখণ্ড সরকার। গাঢ়ওয়াল পুলিশের ডেপুটি ইনস্পেক্টর জেনারেল করণ সিং নাগনায়াল বলেন, সিটের শীর্ষে থাকবেন পুলিশ সুপার পদমর্যাদার কোনও অফিসার। যাঁরা দোষী সাব্যস্ত হবেন, তাঁদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অভিযোগ, হরিদ্বারের ধর্ম সংসদে আহ্বান জানানো হয়েছিল, ভারতে মুসলিমদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করতে হবে। না হলে দেশে মুসলিমদের সংখ্যা কমানো যাবে না। ধর্ম সংসদ নিয়ে ইতিমধ্যে এফআইআর করেছে উত্তরাখণ্ড পুলিশ। শনিবার পুলিশ জানিয়েছে, এফআইআরে যতি নরসিংহানন্দের নাম যুক্ত করা হয়েছে। হরিদ্বার সিটি সার্কেল অফিসার শেখর সুয়াল বলেন, ধর্ম সংসদের উদ্যোক্তা ছিলেন বিতর্কিত হিন্দু নেতা যতি পরমানন্দ। তবে এখনও কেউ গ্রেফতার হননি।
গত শনিবার উত্তরাখণ্ড পুলিশের সদর দফতরের সামনে বিক্ষোভ দেখায় বিপুল সংখ্যক মানুষ। পুলিশ তাঁদের লিখিত আশ্বাস দেয়, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ধর্ম সংসদে উপস্থিত ছিলেন দিল্লির বিজেপি মুখপাত্র অশ্বিনী উপাধ্যায়। তিনি নরসিংহানন্দের হাতে সংবিধানের একটি কপি তুলে দেন। নরসিংহানন্দ বলেন, "২০২৯ সালে ভারতের প্রধানমন্ত্রী হবেন একজন মুসলিম। এটা উদ্ভট চিন্তা নয়। এর বাস্তব ভিত্তি আছে। ভারতে মুসলিম জনসংখ্যা বাড়ছে। হিন্দু জনসংখ্যা কমছে। এভাবে চলতে থাকলে আগামী সাত-আট বছরের মধ্যে রাস্তায় কেবল মুসলিমই দেখা যাবে। এই কথাটাই আমি ২৩ বছর ধরে সবাইকে বোঝানোর চেষ্টা করছি।"