
শেষ আপডেট: 4 July 2020 18:30
ডিজিপি অভয় জানিয়েছেন, ওই এলাকায় মাওবাদীদের বড় জমায়েতের খবর পেয়ে অভিযানে নামে যৌথ বাহিনী। মাওবাদীদের গেরিলা বাহিনীর পিএলজিএ ১ ও ২ নম্বর কোম্পানিও সেখানেও জমায়েত হচ্ছিল বলে খবর পেয়েছিলেন গোয়েন্দারা। পুলিশের অনুমান, যে চারজন খতম হয়েছে তারা মাওবাদীদের নিষিদ্ধ গোষ্ঠী বানসাধারা-নাগাভালি ঘুমুসুর ডিভিশনের সদস্য ছিল।
https://twitter.com/SecyChief/status/1279661973945212928?ref_src=twsrc%5Etfw%7Ctwcamp%5Etweetembed%7Ctwterm%5E1279661973945212928%7Ctwgr%5E&ref_url=https%3A%2F%2Fwww.ndtv.com%2Findia-news%2F4-maoists-killed-in-encounter-with-security-forces-in-odisha-2257446
কন্ধমলের এসপি প্রতীক সিং জানিয়েছেন, নিহত চারজনের মধ্যে একজন মহিলাও ছিলেন। মাওদের ওই গোপন ঘাঁটি থেকে প্রচুর পরিমাণে আগ্নেয়াস্ত্র ও বিস্ফোরক উদ্ধার হয়েছে। পুলিশের অনুমান, সেখানে বাহিনীর উপরে হামলা চালানোর জন্য ফাঁদ পেতে বসেছিল জঙ্গিরা।
ওড়িশার মুখ্যসচিব এ কে ত্রিপাঠি টুইট করে বলেছেন, মাওবাদী দমনে বড়সড় সাফল্য পেল ওড়িশা পুলিশের বিশেষ বাহিনী। চার মাওবাদীর মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়েছে। বাকিদের খোঁজে তল্লাশি চলছে। গত সপ্তাহেই কন্ধমলের ফিরিঙ্গিয়া এলাকায় মাওবাদীদের একটি ক্যাম্প উড়িয়ে দিয়েছিল নিরাপত্তাবাহিনী। সেখানও থেকেও বিপুল পরিমাণে আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার হয়েছিল।
গত মার্চে ছত্তীসগড়ের সুকমায় মাওবাদীদের সঙ্গে সংঘর্ষে শহিদ হয়েছিলেন ১৭ জন জওয়ান। সুকমার মিনপা জঙ্গলে মাওবাদীদের সঙ্গে সংঘর্ষ বাধে যৌথ বাহিনীর। এই যৌথ বাহিনীতে পুলিশ, কোবরা এবং এসটিএফ-এর মোট ৬০০ জওয়ান ছিলেন। মে মাসে ছত্তীসগড়ের রাজনন্দগাঁও জেলায় পুলিশের সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে খতম হয় চার মাওবাদী। মানপুর থানার এক সাব ইনস্পেক্টরেরও প্রাণ গিয়েছিল ওই এনকাউন্টারে।