জেএনইউতে হামলায় জড়িত ৩৭ জনকে চিহ্নিত করা গিয়েছে, দাবি দিল্লি পুলিশের
দ্য ওয়াল ব্যুরো : জেএনইউতে মুখোশধারীদের হামলার পরে প্রায় এক সপ্তাহ কেটে গেলেও গ্রেফতার হয়নি কেউ। তা নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়েছে নানা মহলে। এর মধ্যে দিল্লি পুলিশ জানাল, তারা 'ইউনিটি এগেন্সট লেফট' নামে এক হোয়াটস অ্যাপ গ্রুপের সন্ধান পেয়েছে। তার
শেষ আপডেট: 11 January 2020 08:10
দ্য ওয়াল ব্যুরো : জেএনইউতে মুখোশধারীদের হামলার পরে প্রায় এক সপ্তাহ কেটে গেলেও গ্রেফতার হয়নি কেউ। তা নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়েছে নানা মহলে। এর মধ্যে দিল্লি পুলিশ জানাল, তারা 'ইউনিটি এগেন্সট লেফট' নামে এক হোয়াটস অ্যাপ গ্রুপের সন্ধান পেয়েছে। তার সদস্যের সংখ্যা ৬০। তাদের মধ্যে ৩৭ জন জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ে হামলায় জড়িত ছিল। একইসঙ্গে পুলিশ জানিয়েছে, হামলাকারীদের মধ্যে অন্তত ১০ জন বহিরাগত।
গত রবিবারের হামলায় জেএনইউতে আহত হন ৩৪ জন। পুলিশের বক্তব্য, বাম সমর্থিত ছাত্র সংগঠন এবং বিজেপি সমর্থক এবিভিপি উভয়েই বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে বাইরের লোক ডেকে আনে। ছাত্রছাত্রীরাই বহিরাগতদের ক্যাম্পাসে ঢুকতে সাহায্য করে।

অভিযোগ, বিশ্ববিদ্যালয়ে হামলার সময় পুলিশ উপস্থিত থাকলেও তারা আক্রমণকারীদের ঠেকাতে চেষ্টা করেনি। গত শুক্রবার পুলিশ জানায়, গোলমালের পিছনে ন'জন ছাত্রছাত্রী ছিলেন বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। তাঁদের অন্যতম হলেন ছাত্র ইউনিয়নের নেত্রী ঐশী ঘোষ। ৫ জানুয়ারির হামলা ঐশী নিজেই গুরুতর আহত হন।
পুলিশ ওই হামলার কয়েকটি ছবি প্রকাশ করেছে। তাতে কয়েকজনের ঝাপসা ছবি দেখা যাচ্ছে। পুলিশের দাবি, ওগুলি আক্রমণকারীদের ছবি। তাঁদের মধ্যে ঐশীও আছেন। এছাড়া যোগেন্দ্র ভরদ্বাজ ও বিকাশ পটেল নামে দু'জনকে সন্দেহভাজন বলে উল্লেখ করা হয়েছে। তাঁরা এবিভিপি-র সদস্য।
দিল্লি পুলিশের ডিসি (ক্রাইম ব্র্যাঞ্চ) জয় তিরকে বলেন, "এখনও কাউকে আটক করা হয়নি। প্রত্যেক সন্দেহভাজনকে নোটিস পাঠানো হয়েছে।" পুলিশের বক্তব্য, হামলার ঘটনা সিসিটিভি-র ফুটেজে ধরা পড়েনি। সেজন্য তদন্তে দেরি হচ্ছে।