উদ্ধার সিংহছানা, ছোট পশু ধরে চলছিল অবাধ চোরাশিকার, গুজরাতে গ্রেফতার ৩৮ সন্দেহভাজন
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বন্দি সিংহ শাবক উদ্ধার করার পরের দিনেই ৩৪ জন সন্দেহভাজন চোরাশিকারিকে গ্রেফতার করলেন বন দফতরের কর্তারা। বৃহস্পতিবার গুজরাতের গির-সোমনাথ এলাকার এই ঘটনায় এই নিয়ে ৩৮ জন ধরা পড়ল। অন্য চার জনকে বুধবারই গ্রেফতার করা হয়েছিল।
বন
শেষ আপডেট: 5 February 2021 03:19
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বন্দি সিংহ শাবক উদ্ধার করার পরের দিনেই ৩৪ জন সন্দেহভাজন চোরাশিকারিকে গ্রেফতার করলেন বন দফতরের কর্তারা। বৃহস্পতিবার গুজরাতের গির-সোমনাথ এলাকার এই ঘটনায় এই নিয়ে ৩৮ জন ধরা পড়ল। অন্য চার জনকে বুধবারই গ্রেফতার করা হয়েছিল।
বনবিভাগের এক কর্তা কে রমেশ জানিয়েছেন, বুধবার ওই এলাকার একটি গ্রাম থেকে একটি সিংহশাবক উদ্ধার করা হয়। তাকে বন্দি করে রাখা হয়েছিল। শুধু তাই নয়, সেই সঙ্গে পাওয়া যায় বেশ কিছু পশুর হাড়, মাংস, অস্ত্র এবং পশু ধরার জাল। বনকর্তা জানিয়েছন, ওই জালগুলি সবই ছোট ছোট। বড় পশু ধরার মতো নয়। তাই অনুমান, অপরাধীরা ছোট সিংহ, শেয়াল ,খরগোশ-- এসবই ধরত কেবল।
প্রাথমিক তদন্তে অনুমান, এই সব প্রাণীরই নানা অঙ্গপ্রত্যঙ্গ বিক্রি করত চোরাশিকারিরা। ওষুধ বানানোর কাজেও লাগাত। বিভিন্ন জঙ্গল এলাকার ধারে তাঁবু করে থাকত তারা আর রাতের অন্ধকারে চালাত শিকার। কে রমেশ বলেন, "আমরা বুধবার ওই সিংহছানার পাশাপাশি একটি শেয়ালও উদ্ধার করেছি জালবন্দি অবস্থায়। এর পরেই আমরা চারজনকে ধরে ফেলি জুনাগড় থেকে। ওদের জেরা করে বাকিদের খোঁজ মিলেছে।"
এর পরে বৃহস্পতিবার বন দফতরের প্রায় ৫০০ কর্মী গোটা এলাকা চিরুনি তল্লাশিতে নামেন। সৌরাষ্ট্র ঘেঁষা ওই এলাকার গোটা জঙ্গল ও সংলগ্ন অঞ্চল ছানবিন করা হয়। মোট ১৭টি পশুধরার জাল উদ্ধার হয়। ধরা পড়ে ৩৪ জন সন্দেহভাজন চোরাশিকারি।
বন্যপ্রাণ সংরক্ষণ আইনে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে প্রত্যেকের বিরুদ্ধে। রুজু হয়েছে মামলা। আজ, শুক্রবার আদালতে তোলা হবে তাদের।