এভারেস্টে সাফাই অভিযান, নামিয়ে আনা হল তিন হাজার কেজি জঞ্জাল!
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ মাউন্ট এভারেস্টের মাথায় এখন মানুষের অবাধ বিচরণ। আর তার জেরেই এভারেস্ট ভরছে রাশি রাশি জঞ্জালে। এই সমস্যা নতুন নয়। গত কয়েক বছর ধরেই চলছে প্রচার-সচেতনতা। কিন্তু তাতে অবস্থা যে বিশেষ বদলায়নি, তা এই ব
শেষ আপডেট: 29 April 2019 15:16
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ মাউন্ট এভারেস্টের মাথায় এখন মানুষের অবাধ বিচরণ। আর তার জেরেই এভারেস্ট ভরছে রাশি রাশি জঞ্জালে। এই সমস্যা নতুন নয়। গত কয়েক বছর ধরেই চলছে প্রচার-সচেতনতা। কিন্তু তাতে অবস্থা যে বিশেষ বদলায়নি, তা এই বছর ফের টের পাওয়া গেল এভারেস্টে আরোহণ মরসুম শুরু হতেই। সোমবার নেপাল সরকার জানিয়েছে, মাউন্ট এভারেস্টের আরোহণ পথ থেকে তিন হাজার কেজি জঞ্জাল সংগ্রহ করা হয়েছে৷
জঞ্জাল সংগ্রহ করে নামিয়ে তো আনা হল, কিন্তু এর পরে এত জঞ্জাল কোথায় পাঠানো হবে, সেই নিয়ে প্রথমে সমস্যায় পড়ে নেপাল সরকার৷ পরে আকাশপথে সেনা চপারে দুই হাজার কেজি পাঠানো হয় ওকালডুংগা ও বাকি হাজার কেজি পাঠানো হয় রাজধানী কাঠমান্ডুতে৷

তথ্য বলছে, প্রতি বছর পর্বতারোহীর সংখ্যা হু হু বাড়ছে এভারেস্টে৷ আর যত বেশি মানুষ চড়ছে সেখানে, তত বেশি জঞ্জাল বাড়ছে স্বাভাবিক ভাবেই৷ বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গকে জঞ্জালের হাত থেকে বাঁচাতে নেপাল সরকার ‘স্বচ্ছ মাউন্ট এভারেস্ট অভিযান’ শুরু করেছে কয়েক বছর ধরেই৷
এই বছর অভিযানের পরে নেপাল সরকারের পর্যটন বিভাগের ডিরেক্টর জেনারেল জানিয়েছেন, বেস ক্যাম্প থেকে শুরু হয় স্বচ্ছতা অভিযান৷ মোট পাঁচ হাজার কেজি জঞ্জাল পাওয়া যাবে বলে ধরা হয়েছিল৷ যার মধ্যে সাউথ কল এলাকা থেকে দু'হাজার ও ক্যাম্প টু এবং ক্যাম্প থ্রি থেকে এক হাজার জঞ্জাল সংগ্রহ হয়েছে৷ জঞ্জাল কুড়োনোর সময় সাফাই কর্মীরা চারটি মৃতদেহও খুঁজে পায়৷

নেপাল সরকার সূত্রের খবর, এই সাফাই অভিযানের জন্য ২৩০ লক্ষ নেপালি টাকা খরচ হয়েছে৷ এভারেস্ট স্বচ্ছ অভিযানে নেপাল সরকারের সঙ্গে এগিয়ে এসেছে পর্যটন, অসামরিক বাহিনী, পরিবেশ ও সংস্কৃতি মন্ত্রক এবং নেপালি সেনা। সাগরমাথা দূষণ নিয়ন্ত্রণ কমিটি প্রতি বছরের মতোই এ বছরও বিশেষ ভূমিকা পালন করেছে৷