Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
IPL 2026: টানা চতুর্থ হারে কোণঠাসা কেকেআর, ৩২ রানে ম্যাচ জিতল সিএসকে‘ভূত বাংলো’য় সেন্সর বোর্ডের কাঁচি! বাদ গেল ৬৩টি দৃশ্য, ছবির দৈর্ঘ্য কমতেই চিন্তায় অক্ষয়ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

ডেঙ্গিতে একইদিনে তিনজনের মৃত্যু, সংক্রমণ বিপজ্জনক হয়ে উঠছে

ডেঙ্গিতে একইদিনে তিনজনের মৃত্যু, সংক্রমণ বিপজ্জনক হয়ে উঠছে

শেষ আপডেট: 6 October 2023 22:20

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ডেঙ্গির (Dengue) প্রকোপ বাড়ছে। ম্যালেরিয়াও ছড়িয়েছে কোনও কোনও এলাকায়। স্বাস্থ্য দফতর জানাচ্ছে, আক্রান্তেরা বেশিরভাগরই পুর এলাকার বাসিন্দা।  আজ শুক্রবারও ডেঙ্গিতে তিনজনের মৃত্যুর খবর মিলেছে। এরমধ্যে দু’জন দক্ষিণ ২৪ পরগনার ভাঙড়ের বাসিন্দা। তৃতীয়জনের বাড়ি উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁয়।

ভাঙড়ের দুই বাসিন্দার নাম ফতেমা বিবি (৫৬) ও সঞ্জয় রায় (৩৪)। বনগাঁর বাসিন্দার নাম সীমা বিশ্বাস (৪০)। এডিস ইজিপ্টাইয়ের দাপটে কার্যত ত্রস্ত গোটা বাংলা। ডেঙ্গি পরিস্থিতি সামাল দিতে প্রশাসনও বারবার বৈঠকে বসছে। তবু মশাবাহিত এই সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আনতে যথেষ্ট বেগ পেতে হচ্ছে।

পুজোর মুখে চিন্তা বাড়াচ্ছে ডেঙ্গি (Dengue)। ডেঙ্গির (Dengue) মূলত চারটি স্ট্রেন। ডেন-১, ডেন-২, ডেন-৩, ডেন-৪। এর মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ হল ডেন-২ ও ডেন-৪। তুলনায় সবচেয়ে বেশি নিরীহ ডেন-১ এবং ডেন-৩। চলতি বছরে যখন প্রথম ডেঙ্গির সংক্রমণ দেখা গিয়েছিল তখন স্ট্রেন ছিল ডেন-৩ (Dengue) । তাই এ নিয়ে খুব বেশি ভয় পাননি স্বাস্থ্যকর্তারা। কিন্তু এখন ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পাচ্ছে ডেন-২। এই ডেন-২ এবং ডেন-৪ যদি ভয়াবহ রূপ ধারণ করে তাহলে মৃত্যু আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের।

গত পাঁচ বছরের মধ্যে ২০১৯ সালে ডেঙ্গিতে আক্রান্তের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি ছিল। সেই বছরও দেখা গিয়েছিল ডেন-২ প্রজাতির সংক্রমণ। ওই বছর আক্রান্তের সংখ্যা ছুঁয়ে গিয়েছিল ২০ হাজার। আর মৃতের সংখ্যা ছিল শতাধিক। ২০২২ সালে ডেঙ্গির প্রকোপ দেখা দিলেও পরিস্থিতি ভয়াবহ হয়ে ওঠেনি। কিন্তু এ বছর ফের ডেঙ্গি ভয় ধরাচ্ছে।

ইতিমধ্যেই ডেঙ্গি পরিস্থিতি নিয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন পেশায় চিকিৎসক এক ব্যক্তি। রাজ্যের পুরপ্রশাসন ডেঙ্গি মোকাবিলায় ব্যর্থ বলে দাবি করেছেন তিনি।  

ডাক্তারবাবুরা বলছেন, ডেঙ্গি জ্বর কমতে থাকার তিন-চারদিন পর থেকেই প্লেটলেট বাড়তে থাকে। যদি হেমারেজ হয় বা রক্তক্ষরণ শুরু হয় এবং প্লেটলেট সাঙ্ঘাতিকভাবে কমতে থাকে, তাহলে হাসপাতালে ভর্তি হয় প্লেটলেট দিতে হবে রোগীকে। আর যদি, প্লেটলেট তেমনভাবে না কমে তাহলে বাইরে থেকে দেওয়ার দরকার নেই। সেক্ষেত্রে বাড়িতে থেকেই রোগীর চিকিৎসা হতে পারে। আর যদি তেমন কোনও উপসর্গ দেখা দেয় যেমন--অতিরিক্ত দুর্বলতা, রক্তক্ষরণ, নাড়ির গতি কমে যাওয়া, সবসময় বমি পাওয়া, মাথা ঘোরা, শ্বাসকষ্ট বা রোগী যদি অজ্ঞান হয়ে যায়, তাহলে দেরি না করে হাসপাতালে ভর্তি করতে হবে।


```