
শেষ আপডেট: 4 December 2020 18:30
গাঁদা ফুলের পাপড়ির মতো ছড়ানো হিরেকে সৌভাগ্যের প্রতীক বলছেন হরিষ বনসল। ২৫ বছরের রত্ন ব্যবসায়ীর ডিজাইন করা হিরের আংটি এখন বিশ্ব রেকর্ড করেছে। সে করারই কথা। কারণ আংটির ডিজাইনই চমকে দেবে না, হিরের সংখ্যা শুনলেও চোখ কপালে উঠবে। আংটি তৈরি হয়েছে ১২ হাজার ৬৩৮টি ছোট হিরে দিয়ে। পর পর আটটি স্তরে নিখুঁতভাবে সাজানো। এত হিরে একসঙ্গে জ্বলে উঠে চোখ ঝলসে দেবে।
মেরিগোল্ড হরিষের কাছে সৌভাগ্যের প্রতীক। তাঁর প্ররিশ্রম আর নিষ্ঠার ফসল। তাই আংটি নিয়ে যতই হইচই হোক, বেচতে বা নিলামে তুলতে রাজি নন হরিষ। সেই সুরাট থেকে হিরের গয়না তৈরির কৌশল শিখে এসেছিলেন তিনি। তারপর নিজেই হিরের গয়না বানাতে শুরু করেন। হরিষ বলেছেন, প্রথমে ১০ হাজার হিরে দিয়ে আংটি তৈরির কথা ভাবা হয়েছিল। পরে ১২ হাজারের বেশি হিরে লেগে যায়। আংটির আটটি স্তরে পাপড়িগুলো হিরে দিয়ে গাঁথা। প্রতিটি পাপড়ি আলাদা করে তৈরি হয়েছে। সময় লেগেছে বেশি তবে এর নকশা একেবারে নিখুঁত।
এর আগেও ভারতের তৈরি হিরের আংটি গিনেস বুকে নাম তুলেছিল। ৭৮০১টি হিরে দিয়ে পদ্মফুলের মতো আংটি গড়েছিলেন কোট্টি শ্রীকান্ত। হিমালয়ের দুষ্প্রাপ্য ফুল ব্রহ্মকমলের মতো আকার দেওয়া হয়েছিল সেই আংটির। তৈরি করতে সময় লেগেছিল ১১ মাস। তবে মেরিগোল্ড এর চেয়েও বড় ও ওজনে ভারী। ১২ হাজারের বেশি হিরে দিয়ে তৈরি মেরিগোল্ডের রেকর্ড কে ভাঙতে পারে এবার সেটাই দেখার।