দ্য ওয়াল ব্যুরো: দিল্লি, মুম্বইয়ের হাসপাতালের পরে এবার পুণে। ফের করোনায় আক্রান্ত হলেন স্বাস্থ্যকর্মীরা। পুণের রুবি হল ক্লিনিকে ২৫ জন স্বাস্থ্যকর্মী কপোভিড-১৯ পজিটিভ। যদিও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি, যে ওয়ার্ডে চিকিৎসা করছিলেন ওই স্বাস্থ্যকর্মীরা সেখানকার কোনও রোগীর মধ্যে সংক্রমণ ধরা পড়েনি। তবুও হাসপাতালের প্রতিজন স্টাফ, ভর্তি সকল রোগীর স্ক্রিনিং চলছে। প্রত্যেকের থেকে নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে।
রুবি হল ক্লিনিকের সিইও বোমি ভোট বলেছেন, যে স্বাস্থ্যকর্মীদের মধ্যে সংক্রমণ ধরা পড়েছে, তাঁদের কারও উপসর্গ প্রাথমিক পর্যায়ে ধরা পড়েনি। প্রত্যেকেই ‘অ্যাসিম্পটোমেটিক’ অর্থাৎ লক্ষণহীন ছিলেন। হাসপাতালে স্ক্রিনিং শুরু হলে ২৫ জনের নমুনার রিপোর্ট পজিটিভ আসে। সিইও বলেছেন রেড-জ়োন চিহ্নিত কাসারওয়াড়ি এলাকার বাসিন্দা এক স্বাস্থ্যকর্মীর থেকেই সংক্রমণ ছড়িয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। সকলকেই আলাদা আইসোলেশন ওয়ার্ডে রাখা হয়েছে।
হাসপাতাল সূত্রে জানানো হয়েছে, প্রত্যেক আইসোলেশন ওয়ার্ডে রোগীদের স্ক্রিনিং করানো হচ্ছে। হাসপাতালের সমস্ত ডাক্তার, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মী, প্যারামেডিক্যাল স্টাফ প্রত্যেকের থেকে নেওয়া নমুনা পরীক্ষা করতে পাঠানো হয়েছে। সংক্রমণ সন্দেহে ১৯ জন নার্স, তিনজন স্বাস্থ্যকর্মীকে কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। এই মুহূর্তে হাসপাতালে রোগী ভর্তি বন্ধ রাখা হয়েছে।
দিনকয়েক আগেই মু্ম্বইয়ের ওকহার্ড হাসপাতালে সংক্রমণ ধরা পড়ে তিনজন ডাক্তারের মধ্যে। কোভিড-১৯ পজিটিভ ২৬ জন নার্সও। সংক্রমণ যাতে বাইরে ছড়িয়ে না পারে সেই আশঙ্কায় বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে হাসপাতালের দরজা। ওকহার্ড হাসপাতাল ও লাগোয়া চত্বরকে ইতিমধ্যেই সংক্রামিত এলাকা বলে ঘোষণা করেছে বৃহন্মুম্বই মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন।
দিল্লির ক্যানসার হাসপাতালে করোনা আক্রান্ত ডাক্তার ও স্বাস্থ্যকর্মীরা। চারজন ক্যানসার রোগীর মধ্যেও ধরা পড়েছে সংক্রমণ। কোভিড পজিটিভ হাসপাতালে এক কর্মী ও একজন নিরাপত্তারক্ষীও। সব মিলিয়ে দিল্লির স্টেট ক্যানসার ইনস্টিটিউটে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৮ জনে। অন্যদিকে, দিল্লির ম্যাক্স হাসপাতালে ডাক্তার-নার্স-স্বাস্থ্যকর্মী-সহ মোট ১৫০ জনকে সেলফ কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হয়েছে।