দ্য ওয়াল ব্যুরো: মেহেন্দি পরে স্কুলে এসেছিল ছাত্রীরা। আর সেই কারণেই শাস্তি দেওয়া হলো তাদের। ঠায় চার ঘণ্টা ২৫ জন ছাত্রীকে ক্লাসের বাইরে দাঁড় করিয়ে রাখেন শিক্ষক। ঘটনাটি গুজরাটের ভারুচে। হাতে মেহেন্দি পড়ার কারণে ২৫ জন ছাত্রীকে সাসপেন্ড করার অভিযোগ উঠেছে কুইন অফ এঞ্জেলস কনভেন্ট স্কুলের বিরুদ্ধে।
এমনিতেই মেহেন্দি পরা হাল ফ্যাশনের ট্রেন্ড। আর বিভিন্ন পুজো-পার্বণে এটা একটা রীতিও বটে। এই সময়ে গুজরাটে সপ্তাহ ব্যাপী একটি উৎসবও চলে। নাম 'গৌরী ব্রত'। সেই উপলক্ষেই হাতে মেহেন্দি পরেছিলেন ছাত্রীরা। মাত্র দিন দুয়েক আগেই শেষ হয়েছে এই পার্বণ। স্বভাবতই হাত থেকে ওঠেনি মেহেন্দির রঙ। কিন্তু সে সবের পরোয়া না করে, কোনও কিছু বিবেচনা না করেই সটান ছাত্রীদের শাস্তি দিয়ে বসেছে ওই কনভেন্ট স্কুল।
এই ঘটনার পর ক্ষুব্ধ অভিভাবকরা বুধবার স্কুলে যান। কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে প্রশ্নও তোলেন তাঁরা। এলাকার বিজেপি বিধায়ক দুশ্যন্ত পাটেলও যান ওই স্কুলে। কথা বলেন প্রিন্সিপাল এবং স্কুল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে। এরপর অবশ্য প্রকাশ্যে ক্ষমা চেয়ে নেন স্কুল কর্তৃপক্ষ।
স্কুলের তরফে জানানো হয়েছে এ ধরণের ঘটনা যাতে আর না ঘটে সেদিকে খেয়াল রাখবেন তাঁরা। কর্তৃপক্ষ আরও জানিয়েছেন, সব ধরণের উৎসবকেই তারা উদযাপন করেন। ছাত্রীদের মধ্যে কোনও বিভাজন করার উদ্দেশ্য তাঁদের ছিল না। তবে মেহেন্দি না পরে আসার নিয়ম এই স্কুলে প্রথম থেকেই চালু রয়েছে। কিন্তু কোনও ছাত্রীকেই স্কুল থেকে সাসপেন্ড করা হয়নি। এমনটাই জানিয়েছে সিস্টার শীলা।