তান্ত্রিক বিদ্যা শেখানোর নামে নগ্ন করার চেষ্টা করেছিলেন কাস্টিং ডিরেক্টর', #মি টু নিয়ে বিস্ফোরক সোনাল
দ্য ওয়াল ব্যুরো: #মি টু ঝড়ে উত্তাল বলিউড। আন্দোলেন ধীরে ধীরে যোগ হচ্ছে ছোট পর্দার অভিনেত্রীদের নামও। এ বার ফোটোগ্রাফার ও কাস্টিং ডিরেক্টর রাজা বাজাজের নামে যৌন হেনস্থার অভিযোগ আনলেন টেলি অভিনেত্রী সোনাল ভেঙ্গুরলেকার।
'সাম দাম দণ্ড বেদ' খ্
শেষ আপডেট: 24 October 2018 18:30
দ্য ওয়াল ব্যুরো: #মি টু ঝড়ে উত্তাল বলিউড। আন্দোলেন ধীরে ধীরে যোগ হচ্ছে ছোট পর্দার অভিনেত্রীদের নামও। এ বার ফোটোগ্রাফার ও কাস্টিং ডিরেক্টর রাজা বাজাজের নামে যৌন হেনস্থার অভিযোগ আনলেন টেলি অভিনেত্রী সোনাল ভেঙ্গুরলেকার।
'সাম দাম দণ্ড বেদ' খ্যাত সোনালের অভিযোগ একবার নয় বরং একাধিক বার তাঁকে হেনস্থা করেন টিভি অভিনেত্রী সীনা বাজাজের বাবা কাস্টিং ডিরেক্টর রাজা বাজাজ। সোনালের তখন ১৯। টিভি ধারাবাহিকের জন্য অডিশন দিতে এসেছেন। ঠিক মতো ডায়লগ বলতে না পারলেও সুন্দর মুখের জন্য তাঁকে নির্বাচন করেন রাজা। অভিনেত্রী হিসেবে নয় বরং প্রথম দিকে রাজার সহকারী হিসেবে কাজ শুরু করেন তিনি।
নায়িকার অভিযোগ, সহকারী হিসেবে কাজ করতে গিয়েই দিনের পর দিন নানা অছিলায় তাঁর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হওয়ার চেষ্টা করতেন কাস্টিং ডিরেক্টর। একবার সুযোগ বুঝে তাঁরা জামার ফাঁক দিয়ে অন্তর্বাসে নাকি হাত ঢুকিয়ে দিয়েছিলেন রাজা। সোনাল বলেন, "ডিরেক্টরের হাতে ছিলে ক্রিমের বোতল। নিজের দু'হাতে সেটা ঢেলে জোর করে আমার স্তনে মালিশ করতে শুরু করেন। আমি ভয় পাই। বাধা দেওয়ার চেষ্টা করি। কিন্তু রাজা ছিলেন নাছোড়।" সেদিন কোনও রকমে ডিরেক্টরের বাহুপাশ থেকে নিজেকে মুক্ত করে পালান সোনাল।
এখানেই শেষ নয়। ওই দিনই সন্ধেয় ফের তাঁর ঘরে ঢুকে হেনস্থা করার চেষ্টা করেছিলেন রাজা। সোনালের দাবি, তান্ত্রিক বিদ্যা শেখানোর নামে তাঁর পোশাক খোলার চেষ্টা করেন ডিরেক্টর। নায়িকার কথায়, "রাজা আমাকে বলেন তন্ত্র বিদ্যা শিখলে রাতারাতি সুপারস্টার হতে পারব। তার জন্য নগ্ন হয়ে বসে মন্ত্রোচ্চারণ করতে হবে।"
২০১২ সালে কস্তুরবা মার্গ থানায় রাজা বাজাজের নামে যৌন হেনস্থার অভিযোগ দায়ের করেন সোনাল। তিনি জানান, প্রথমে কিছুদিন বিষয়টা নিয়ে হই চই হলেও পরে ধামাচাপা পড়ে যায়। কেরিয়ারের শুরুর দিক বলে তিনিও আর মুখ খুলতে সাহস পাননি। তবে সোনালের সব অভিযোগ অস্বীকার করে রাজা বাজাজ বলেছেন, "আমাকে ফাঁসানোর চেষ্টা হচ্ছে। সোনাল নিজে আমার বাড়িতে এসে তিন লক্ষ টাকা চায়। আমি দেড় লক্ষ টাকা দিতে রাজি ছিলাম। টাকা না পেয়েই এই সব অভিযোগ আনা হচ্ছে আমার বিরুদ্ধে।"