
প্রতীকী ছবি
শেষ আপডেট: 1 August 2024 14:02
দ্য ওয়াল ব্যুরো, উত্তর ২৪ পরগনা: অবশেষে দীর্ঘ আতঙ্কের অবসান। মৎস্যজীবীদের জালে ধরা পড়ল কুমির। হাড়োয়ার
উচিলদহ ভাঙাপাড়া থেকে ধরা পড়ে কুমিরটি।
বেশ কিছুদিন আগে মিনাখাঁর বিদ্যাধরী নদীতে কুমিরটি দেখা যায়। কুমির দেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন গ্রামবাসীরা। তারপরে বেশ কয়েকদিন বিভিন্ন মাছের ভেড়িতে গিয়ে কখনও মাছ কখনও ছাগল খাচ্ছিল কুমিরটি। তাই আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিলেন গ্রামের লোক। কুমিরটিকে কব্জা করতে এলাকার ভেড়িগুলিতে জাল পেতেছিলেন মৎস্যজীবীরা।
বুধবার সন্ধের পর একটি মেছো ভেড়িতে ঢুকে মাছ খাচ্ছিল কুমিরটি। যারা ভেড়ি পাহারা দিচ্ছিলেন তাঁদের নজরে আসতেই কুমির ধরতে তৎপর হন। সঙ্গে সঙ্গে জাল দিয়ে কুমিরটিকে ঘিরে ফেলেন তাঁরা। কুমির ধরা পড়তেই স্বস্তির নিশ্বাস ফেলেন স্থানীয় মানুষজন। খবর পেয়ে বন দফতরের লোকজন এসে কুমিরটিকে নিয়ে যায়।
তিনদিন আগেই সুন্দরবনের পাথরপ্রতিমা এলাকায় জগদ্দল নদীতে কুমির টেনে নিয়ে যায় এক মৎস্যজীবীকে। ওই মৎস্যজীবীর নাম আব্বাসউদ্দিন শেখ (৪৫)। কুমিরের মুখ থেকে বাবার হাতটা ছাড়িয়ে নিতে পাগলের মতো চেষ্টা করেছিল ওই মৎস্যজীবীর নাবালক সন্তান। শেষমেশ বাবার পরামর্শে সাঁতরে গ্রামে গিয়ে লোক জড়ো করে। কিন্তু ফিরে এসে আর বাবার দেখা পায়নি ওই নাবালক। সুন্দরবনের জল জঙ্গলে বাঘ আর কুমিরের সঙ্গেই একত্র বাস মানুষের। তাই প্রতিমুহূর্তে আতঙ্ক। বিদ্যাধরী নদী থেকে কুমির ভেড়িতে ঢুকে পড়ায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিলেন হাড়োয়ার উচিলদহ ভাঙাপাড়ার মানুষ। শেষপর্যন্ত অবশ্য এ যাত্রায় বিপদ থেকে বাঁচলেন তাঁরা।