Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরগরমে মেজাজ হারালেন কর্মীরা! চুঁচুড়ায় নিজের দলের লোকেদেরই বিক্ষোভের মুখে দেবাংশুবার্নল-বোরোলিন বিতর্ক, ‘লুম্পেনদের’ হুঁশিয়ারি দিয়ে বিপাকে ডিইও, কমিশনকে কড়া চিঠি ডেরেক ও’ব্রায়েনের

অশোকনগরে বাড়ি থেকে মিলল দম্পতি সহ ৮ বছরের মেয়ের দেহ! হতবাক প্রতিবেশীরা

প্রতিবেশীরা জানিয়েছেন, নবপল্লি এলাকায় গত ৬ মাস ধরে স্ত্রী পিউ ও ৮ বছরের মেয়ে মিষ্টিকে নিয়ে এই বাড়িতে থাকছিলেন দীপক রায়। ৪৩ বছরের দীপকবাবু প্লাইউড কারখানায় কাজ করতেন। দম্পতির মধ্যে তেমন কোনও অশান্তি ছিল না। 

অশোকনগরে বাড়ি থেকে মিলল দম্পতি সহ ৮ বছরের মেয়ের দেহ! হতবাক প্রতিবেশীরা

শেষ আপডেট: 23 August 2024 18:49

দ্য ওয়াল ব্যুরো, উত্তর ২৪ পরগনা: বাড়ি থেকে উদ্ধার হল স্বামী-স্ত্রী ওই সন্তানের দেহ। শুক্রবার দুপুরের এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায় অশোকনগরের নবপল্লি এলাকায়। পুলিশের অনুমান, নাবালক মেয়েকে নিয়ে আত্মঘাতী হয়েছেন দম্পতি।  

প্রতিবেশীরা জানিয়েছেন, নবপল্লি এলাকায় গত ৬ মাস ধরে স্ত্রী পিউ ও ৮ বছরের মেয়ে মিষ্টিকে নিয়ে এই বাড়িতে থাকছিলেন দীপক রায়। ৪৩ বছরের দীপকবাবু প্লাইউড কারখানায় কাজ করতেন। দম্পতির মধ্যে তেমন কোনও অশান্তি ছিল না। 

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, সকালে দীর্ঘক্ষণ বাড়ির দরজা বন্ধ দেখে প্রতিবেশীরা তাদের হাঁকডাক শুরু করেন। ভিতর থেকে কারও সাড়াশব্দ পাওয়া যায়নি। এতে প্রতিবেশীদের সন্দেহ হয়। দরজা ভেঙে বাড়ির ভিতর ঢোকেন তাঁরা। ভিতরে ঢুকতেই আঁতকে ওঠে তাঁরা। দেখেন তিনজনেই গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় ঝুলছে। পুলিশকে খবর দেন। খবর পেতেই ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। 

এক প্রতিবেশীর দাবি, এই পরিবার খুবই মিশকে ছিল। তবে বাজারে তাঁদের অনেক দেনা ছিল। সেই দেনাও প্রতিমাসেই শোধ দিতেন দীপক। 

পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তিনটি দেহ উদ্ধার করে। সেগুলি ময়নাতদন্তের জন্য অশোকনগর হাসপাতালে পাঠায়। পরে সেখানে যান হাবরা এসডিপিও প্রসেনজিৎ দাস, সি আই সন্দীপ ঘোষ, অশোকনগর থানা ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক চিন্তামণি নস্কর সহ বিশাল পুলিশ বাহিনী। ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার হয়েছে একটি সুইসাইড নোট। সেখান থেকে পুলিশ জানতে পেরেছে, ঋণের বোঝার জন্য আত্মঘাতী হয়েছেন। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, সন্তানকে মারার পরে দম্পতি আত্মঘাতী হন। 


```