দ্য ওয়াল ব্যুরো: সোনু নিগমের কণ্ঠে ‘কাল হো না হো’র সেই বিখ্যাত টাইটেল ট্র্যাক মনে আছে। প্রত্যেকের ফোনে, মিফজিক সিস্টেমেই আলোড়ন তুলেছিল সেই গান। কানে হেডফোন লাগিয়ে আপনিও গুনগুন করেছেন একসময়, হয়তো বা এখনও করেন। সেই গানই ফিরে এসেছে নতুন আঙ্গিকে। কী ভাবছেন রিমিক্স, না বলিউডের নতুন ট্রেন্ড মাফিক পুরনো গানের কনটেম্পোরারি চমক? তার কোনওটাই নয়। সোনুর মন মাতানো ‘কাল হো না হো’ নিজেদের মতো করে ভালোবেসে গেয়েছেন তিন নাইজেরিয়ান যুবক। নাইজেরিয়ান স্টাইলে সেই গানের ভিডিও ইতিমধ্যেই ইন্টারনেটে ভাইরাল।
কথায় বলে সঙ্গীতের কোনও জাত, ধর্ম, ভাষা হয় না। সঙ্গীতের একটাই ধর্ম, তা হল সুরের সঙ্গে মনের মেলবন্ধন। দেশ, সংস্কৃতির গণ্ডি পেরিয়ে সঙ্গীতের সপ্তসুরে বাঁধা ভুবন। ভিন দেশের ঐতিহ্য, সংস্কৃতিকে যেমন মানুষ আপন করে নেয়, তেমনি সেই দেশের সঙ্গীতও ছাপ ফেলে মানুষের হৃদয়ে। গানের মাধ্যমেই গড়ে ওঠে হৃদ্যতা। বলিউড গানের এমনিতেই বিশেষ চল রয়েছে বাইরের দেশগুলিতে। তার মধ্যে অন্যতম নাইজেরিয়া। রেট্রো মিউজিক থেকে হালফিলের গান, সেই ১৯৫০ সাল থেকেই বলিউডের প্রেমে মজে নাইজেরিয়ার জেন এক্স, জেন ওয়াই। তারই একটা ঝলক সম্প্রতি ছেয়ে গিয়েছে নেট দুনিয়ায়।
https://twitter.com/alidaudzai_/status/1076017385356709888
তিন যুবক গেয়ে চলেছেন ‘কাল হো না হো’। গানের ভাষা একই, তবে স্টাইলে সামান্য বদল এসেছে। নাইজেরিয়ান টাচে হিন্দি গানের কলি বেশ খুলেছে। একজনের কণ্ঠের জাদু, বাকি দু’জন র্যাপের তালে তাঁকে সঙ্গে দিয়ে গেছেন। এই ভিডিও টুইটারে পোস্ট করেছেন আলি গুল খান। অস্ট্রেলিয়ার এই যুবক নিজেও বলিউড সঙ্গীতের অনুরাগী। শাহরুখের অনেক হিট গানই তিনি পিয়ানোতে বাজিয়েছেন। টুইটারে বেশ জনপ্রিয় সেই সব ভিডিও। নাইজেরিয়ান যুবকদের এই ভিডিও টুইটারে পোস্ট করে আলি লিখেছেন, ‘‘আমি হলফ করে বলতে পারি, ভারতীয়দের থেকে নাইজেরিয়ানরা অনেক বেশি বলিউড ছবি দেখেন ও হিন্দি গান শোনেন।’’
টুইটারে এই মূহূর্তে ভিডিওর ভিউয়ার সংখ্যা আট লক্ষ ছাড়িয়েছে। ভিউয়ারদের অনেকেই নাইজেরিয়ান গায়ককে সোনু নিগমের সঙ্গে তুলনা করেছেন। কারওর আবার মন্তব্য, যে কোনও ইন্ডিয়ান আইডল প্রতিযোগির থেকে শতগুণে ভালো গেয়েছেন তিন নাইজেরিয়ান যুবক।