দ্য ওয়াল ব্যুরো: কয়েক দিন আগেই একটি সংবাদপত্রকে জানান, কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে 'আয়কর দফতরের কিছু কালো ভেড়া' সম্পর্কে বিশেষ সচেতনতা নেওয়া হচ্ছে। এর পরেই দুর্নীতির মামলায় জড়িয়ে থাকার অভিযোগে ২২ জন সিনিয়র আয়কর আধিকারিককে অবসর নিতে বাধ্য করা হয়েছে বলে খবর এল সোমবার।
তবে এ-ই প্রথম নয়। মাস দুয়েক আগে, এই একই রকম ভাবে, কেন্দ্রীয় ট্যাক্স বোর্ডের ১২ জন অফিসার এবং ২৭ জন উচ্চপদস্থ রাজস্ব পরিষেবা আধিকারিককে বাধ্যতামূলক অবসর নিতে বাধ্য করা হয়েছিল। তাঁদের বিরুদ্ধেও দুর্নীতির মামলার অভিযোগ ছিল।
স্বাধীনতা দিবসের দিন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেওয়ার সময়ে বলেছিলেন, “আয়কর প্রশাসনের কিছু কালো ভেড়া তাদের ক্ষমতার অপব্যবহার করেছে এবং করদাতাদের হয়রানি করেছে। হয় ইচ্ছে করে দুর্নীতি হচ্ছে বা পদ্ধতিগত নিয়ম লঙ্ঘন হচ্ছে। আমরা এগুলো সহ্য করব না। তাই তাঁদের বাধ্যতামূলক অবসর নেওয়ার পদক্ষেপ করেছি।
আয়কর দফতর সূত্রের খবর, সোমবার অবসর নিতে বাধ্য হওয়া ২২ জন কর আধিকারিক হলেন-- কে কে উইকে, এসআর পারাতে, কৈলাস ভার্মা, কেসি মন্ডল, এমএস দামোর, আরএস গোগিয়া, কিশোর প্যাটেল, জেসি সোলাঙ্কি, এসকে মন্ডল, গোবিন্দ রাম মালভিয়া, এই ছাপারগেরে, এস অশোকরজ, দীপক এম গাণিয়ান, প্রমোদ কুমার, মুকেশ জৈন, নবনীত গোয়েল, অচিন্ত্য কুমার প্রামাণিক, ভি কে সিং, ডিআর চতুর্বেদি, ডি অশোক, লীলা মোহন সিং এবং ভিপি সিং। দিল্লি, মুম্বই, কলকাতা এবং চেন্নাই-সহ বিভিন্ন শহরের আয়কর বিভাগে কর্মরত ছিলেন এই আধিকারিকরা। লক্ষাধিক টাকা ঘুষ নেওয়া ও আরও নানা দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে তাঁদের বিরুদ্ধে।
কেন্দ্রের সরকারি বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, "বাধ্যতামূলক ভাবে আরও ২২ জন সুপারিনটেন্ডেন্ট পদের উচ্চপদস্থ কর-আধিকারিকের অবসর নেওয়ানো হচ্ছে। দুর্নীতি, অন্যান্য অভিযোগ ও তদন্তকারী সংস্থার ফাঁদে পড়ায়, জনস্বার্থে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।"