Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরগরমে মেজাজ হারালেন কর্মীরা! চুঁচুড়ায় নিজের দলের লোকেদেরই বিক্ষোভের মুখে দেবাংশুবার্নল-বোরোলিন বিতর্ক, ‘লুম্পেনদের’ হুঁশিয়ারি দিয়ে বিপাকে ডিইও, কমিশনকে কড়া চিঠি ডেরেক ও’ব্রায়েনের

২২ অভ্যাসে বদলে যাবে জীবন, এক বছরের মধ্যেই

দ্য ওয়াল ব্যুরো: “সত্যিকারের বাঁচা তখনই হয়, যখন জীবনে ছোট ছোট বদল আসে,” বলেছিলেন বিশ্বখ্যাত রুশ সাহিত্যিক লিও টলস্টয়। আমেরিকার জনপ্রিয় লেখক ও বিখ্যাত বাগ্মী স্টিভ মারাবোলি তাঁর একটি বক্তৃতায় বলেছিলেন, “জীবনকে নিজের ইচ্ছা অনুযায়ী পরিবর্তন কর

২২ অভ্যাসে বদলে যাবে জীবন, এক বছরের মধ্যেই

শেষ আপডেট: 4 September 2020 18:30

দ্য ওয়াল ব্যুরো: “সত্যিকারের বাঁচা তখনই হয়, যখন জীবনে ছোট ছোট বদল আসে,” বলেছিলেন বিশ্বখ্যাত রুশ সাহিত্যিক লিও টলস্টয়। আমেরিকার জনপ্রিয় লেখক ও বিখ্যাত বাগ্মী স্টিভ মারাবোলি তাঁর একটি বক্তৃতায় বলেছিলেন, “জীবনকে নিজের ইচ্ছা অনুযায়ী পরিবর্তন করার শক্তি আসবে ছোট ছোট পদক্ষেপ থেকেই।” পরিবর্তনই চিরন্তন সত্য। জীবন একভাবে চলে না। নদীর মতোই তাতে নানা বাঁক আসে। প্রতিটা বাঁকে জীবন তার নতুন দিশা ঠিক করে। এই পরিবর্তনকে বদলানো যায় না। তবে মানুষ তার অভ্যাস, সিদ্ধান্ত, ইচ্ছাশক্তি, পরিশ্রম দিয়ে এই পরিবর্তনের প্রভাবকে বশে রাখতে পারে। জীবন কতটা সুন্দর হবে সেটা নির্ভর করে মানুষের অভ্যাস ও তার সঠিক পদক্ষেপের উপরেই। রোজকার জীবনের ছোট ছোট কিছু অভ্যাস জীবনকে ঘষামাজা করে আরও চকচকে করে তুলতে পারে। এইসব অভ্যাস নিজেকেই রপ্ত করতে হয়। গতানুগতিক জীবনের সঙ্গে যদি কিছু ছোট ছোট অভ্যাসকে জুড়ে দেওয়া যায় তাহলে মানুষ তার নিজের লক্ষ্যে অনেক দ্রুত এগিয়ে যেতে পারে। পরিবর্তন যতই আসুক আর যেভাবেই আসুক, তার ভাল ও খারাপ সবদিকের সঙ্গেই মানিয়ে নেওয়ার মতো ক্ষমতা তৈরি হয়ে যায় আগে থেকেই। ফোর্বস ম্যাগাজিনে সম্প্রতি আমেরিকান লেখিকা ব্রিয়ানা ওয়েস্ট ২২টি ছোট ছোট অভ্যাস বা মাইক্রোহ্যাবিটের কথা বলেছেন যা মানুষের জীবনকে আমূল বদলে দিতে পারে। গতানুগতিকতার সঙ্গে চলতে চলতে ক্লান্ত, প্রায় লক্ষ্যহীন জীবনকে এক নতুন দিশায় নিয়ে যেতে পারে। লেখিকা বলছেন, মানুষের মনের নানা দিক নিয়ে গবেষণা করেই এই অভ্যাসগুলিকে তুলে ধরা হয়েছে। দৈনন্দিন জীবনে আমরা যেসব কাজ করার কথা ভাবি কিন্তু করে উঠতে পারি না, যে লক্ষ্য স্থির করি কিন্তু তাতে নজর দেওয়ার সময় পাই না, সেইসব ছোট ছোট কাজকেই রোজকার অভ্যাসে পরিণত করতে বলছেন ব্রিয়ানা। তবে শুধু ব্রিয়ানা নন, অনেক বিশেষজ্ঞেরই মত এমনই। এখন দেখে নেওয়া যাক কী কী অভ্যাস রপ্ত করতে পারলে এক বছরের মধ্যেই জীবনকে আরও সুন্দর করে গড়েপিঠে নেওয়া যাবে। ১) মেলামেশা বাড়াতে হবে কেউ পাত্তা দিচ্ছে না, বা ডাকে সাড়া দিচ্ছে না, এইসব ভেবে দমে গেলে চলবে না। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যতবেশি প্রত্যাখাত হবেন ততটাই মনের জোর বাড়বে। প্রতিদিন অন্তত দু’জনের সঙ্গে আলাপ করে কাজ করার চেষ্টা করতে হবে। সেটা হতে পারে কোম্পানি এজেন্ট, বা সংস্থার কোনও কর্মী, অথবা বইয়ের ডিলার বা অন্য কেউ। প্রথমে হয়তো তারা বিশেষ আগ্রহ দেখাবে না, কিন্তু ধীরে ধীরে মানুষের সঙ্গে মিশে গিয়ে কাজ করার ক্ষমতা বাড়বে। লজ্জা, সঙ্কোচ কাটবে। অনেক বেশি প্রোডাকটিভ হওয়া যাবে যা পেশার ক্ষেত্রেও লাভজনক প্রমাণিত হবে। ২) দিনে কয়েক লাইন লেখার অভ্যাস করতেই হবে লেখা অনেকেরই আসে না। সবাই লেখক নন। কিন্তু নিজের মনের কথা সহজ ভাষায় লেখাই যায়। ডায়রি লেখার অভ্যাস থাকলে খুব ভাল, না হলে প্রতিদিন অন্তত একটা ছোট প্যারাগ্রাফ হলেও লেখা ভাল। সারাদিন কী কাজ হল, অথবা নিজের দরকারি কোনও কথা, পেশা সংক্রান্ত বিষয় বা পরিবারের কথা, যাই হোক না কেন কয়েক লাইন লেখার অভ্যাস মনোসংযোগ বাড়াবে। চিন্তা শক্তি ও সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা তৈরি করবে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এখন এটা হাস্যকর মনে হলেও এই অভ্যাস অনেকেরই জীবনে বড় পরিবর্তন নিয়ে এসেছে। এর ফল সুদুরপ্রসারী। চেষ্টা করে দেখা যেতেই পারে। These 7 Books Are Necessary Reading for All Creatives | by Product Hunt | Product Hunt ৩) ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খেয়াল রাখছেন তো অনেকেই ভাবতে পারেন, এটা কোনও অভ্যাস হল। প্রয়োজনেই ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খেয়াল রাখতে হয়। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রতিদিন নিয়ম করে নিজের অ্যাকাউন্টের খুঁটিনাটি খেয়াল রাখতে হবে। কত লেনদেন হল, অ্যাকাউন্টে কত টাকা রয়েছে, কোনদিন কী খরচ করেছেন বা আগামী দিনে কোন খাতে কত টাকা খরচের পরিকল্পনা রয়েছে সব দেখে লিখে রাখলে ভাল। দিনের যে কোনও সময় একবার হলেও এই অভ্যাস করে নেওয়া উচিত। এর সুফল হল ছন্নছাড়া ভাব বশে আসে। অনেক বেশি হিসেবি হয়ে ওঠা যায়। গুছিয়ে কাজ করার মনোভাবও তৈরি হয়। আয় ও ব্যয়ের মধ্যে সামঞ্জস্য থাকছে কিনা সে হিসেবটাও রাখা যায়। ৪) পেশা থেকে গেরস্থালি, পরিচর্যা হবে ‘পারফেক্ট’ নিজেকে পারফেকশনিস্ট তৈরি করতে হবে। একদিনে হবে না, ধীরে ধীরে এই অভ্যাস তৈরি হবে। নিজের কর্মক্ষেত্র যেমন সামলাতে হবে তেমনি ঘর গেরস্থালির পরিচর্যাও করতে হবে নিয়মিত। ছোট ছোট কাজ যেমন ঘর পরিষ্কার আছে কিনা, পুষ্টিকর খাবার রান্না হচ্ছে কিনা, বাড়িতে গাছ থাকলে তার পরিচর্যা নিয়ম করে করতে হেব। ইলেকট্রিকের বিল থেকে ইন্টারনেটের বিল, সবই খুঁটিয়ে খেয়াল রাখতে হবে। তার মাঝেই হবে অফিস বা ব্যবসার কাজ। গোটা দিনকে কয়েকটা ভাগে ভেঙে রুটিন তৈরি করে নিতে হবে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই অভ্যাস রোজকার জীবনে তৈরি হলে সক্রিয়তা অনেক বাড়বে। আলস্য কাবু করবে না। চনমনে ভাব থাকবে সারাদিন, যে কোনও কাজই তাড়াতাড়ি হবে। 5 Things You Can Do To Be More Productive: Success Tips ৫) ভবিষ্যতের লক্ষ্য তৈরি হোক আজ থেকেই বিশেষজ্ঞরা বলছেন, লক্ষ্য স্থির না করলে জীবনে উন্নতি হবে না। একটা টার্গেট ঠিক করতেই হবে। সেই মতো প্রতিদিনের কাজ গোছাতে হবে। কোনও কাজই ফেলে রাখা নয়, যেদিন যতটা দরকার শেষ করতেই হবে। কোন কাজের গুরুত্ব বেশি সেটা নিজেকেই ঠিক করতে হবে। বেকার সময় নষ্ট করার বদলে গুরুত্ব বিচার করে কাজকেও ছোট ছোট ভাগে ভেঙে নিতে হবে। তাহলেই লক্ষ্যের পথ মসৃণ হবে। সময়ের গুরুত্ব বোঝার মানসিকতা তৈরি হবে। ৬) দায়িত্ব নেওয়ার অভ্যাস আত্মবিশ্বাস বাড়ায় দায়িত্ব নিতে হবে যেচেই। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দায়িত্ব নিয়ে কোনও কাজ করার অভ্যাস তৈরি হলে আত্মবিশ্বাসও বাড়ে। নিজে থেকে সিদ্ধান্ত নেওয়ার মানসিকতা তৈরি হয়। খারাপ ও ভুলের পার্থক্য অেক দ্রুত করা যায়। সেই সঙ্গেই চনমনে হতে হবে। গুরুত্বপূর্ণ মেসেজ বা ইমেল দেখার সঙ্গে সঙ্গেই তার উত্তর দেওয়ার অভ্যাস তৈরি করতে হবে। ফেলে রেখে পরে উত্তর দেব ভাবলে, নিজের মধ্যেও যেমন আলস্য চলে আসে তেমনি বিপরীত দিকেও ভুল ধারণা তৈরি হতে পারে। ৭) অযথা উত্তেজনা নয়, হঠকারিতা বিপদ ডেকে আনে ভাল খবর হোক বা খারাপ, শোনার সঙ্গে সঙ্গেই উত্তেজিত হয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া ঠিক নয়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হঠকারিতা ভুল পথে ঠেলে দেয়। ধীরে সুস্থে মাথা ঠান্ডা করেই সিদ্ধান্ত নেওয়া ভাল। নিজেকে আগে প্রশ্ন করতে হবে। কেন এমন হল বা কী হতে চলেছে। কয়েক মিনিটের ভাবনাচিন্তা থেকেই হয়তো বড় জটিলতার সহজ সমাধান বের হয়ে আসতে পারে। ৮) নিজের ছোট ছোট চাহিদা খেয়াল রাখছেন তো ব্যস্ততা যতই থাক নিজের ছোট ছোট চাহিদার দিকে খেয়াল রাখতে হবে। সঠিক সময় খাওয়া, সঠিক সময়ে ঘুম। শরীরচর্চার অভ্যাস থাকলে তার জন্য সময় বের করা। পরিবার, আত্মীয়, বন্ধুদের জন্য সময় রাখা। নিজের কোনও শখ থাকলে সেই কাজ করা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কাজের ব্যস্ততায় নিজের চাহিদাগুলো না মেটালে অবসাদ তৈরি হবে কমদিনেই। ভালর থেকে খারাপ চিন্তা বেশি আসবে। ক্লান্ত লাগবে অনেক। Should you Make the Main CTA on Mobile 'Stick-to-Scroll'? ৯) কাকে অনুসরণ করবেন, কাকে নয় সেটা ঠিক করুন পেশা আর ব্যক্তিগত জীবনকে আলাদা রাখতেই হবে। প্রতিদিন আমাদের চারপাশে যারা ঘিরে থাকে তাদের প্রভাব মনে ছাপ রাখেই। তবে সবসময় সেই নিয়ে ভাবনাচিন্তা করা ঠিক নয়। সোশ্যাল মিডিয়ায় সব সময় তাদের সার্চ করা বা তাঁরা কী করছেন সেটা খেয়াল রাখা, এইসবই ব্যক্তিগত জীবনে প্রভাব ফেলতে পারে। নিজের আগ্রহের ক্ষেত্রটা তৈরি করতে হবে। পেশা ও ব্যক্তিগত পরিসরকে আলাদা করতেই হবে।   ১০) যেমন ভাবনা তেমন কাজ অনেকে বলে ‘ফাইভ সেকেন্ড রুল’ । কোনও কিছু করব বলে মনে হলেই সেটা নিয়ে দ্রুত ভাবনাচিন্তা করে ফেলা ভাল। আজ করব না কাল করব এই দ্বিধায় অনেকসময়েই মানুষ সুযোগ হারিয়ে ফেলে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আগের অভ্যাসগুলো তৈরি হলে এই ফ্লেক্সিবিলিটি নিজে থেকেই চলে আসবে। গুরুত্ব দিয়ে কাজ করার অভ্যাস তৈরি হবে। Can Positive Thinking Prevent a Heart Attack? - Cleveland HeartLab, Inc. ১১) দমে না গিয়ে উৎসাহ বাড়াতে হবে একইভাবে যদি মনে হয় এই কাজটা পারব না তাহলে উৎসাহ বাড়াতে হবে। মনের জোর আর ইচ্ছাশক্তিতে অনেক জটিল সমস্যার সমাধান তৈরি হয়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আত্মবিশ্বাসী মন তৈরি করতে হবে। পারব না, এই ভাবনা থেকে সামর্থ্য থাকলেও লক্ষ্যপূরণ করতে পারেন না অনেকে। The 3 Best “Unknown” Books on Writing (And why it's good to read writing books.) | by Allison Klein | The Writing Cooperative ১২) বই পড়ার অভ্যাস জর্জ মার্টিন বলেছিলেন, যিনি পড়েন তিনি মৃত্যুর আগে হাজার জীবন বাঁচেন। বই পড়ার অভ্যাস জীবনের ভিত তৈরি করে দেয়। শিকড়টাই শক্তপোক্ত হয়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রোজ সকালে অন্তত একটা করে গল্প পড়ার অভ্যাস তৈরি করতে হবে। অথবা কোনও অডিও বুক শুনলেও ভাল। এই অভ্যাস শুধু জ্ঞান বাড়াবে তাই নয়, আত্মবিশ্বাসও তৈরি করবে। ১৩) সোশ্যাল মিডিয়ায় গুরুত্ব কম প্রতিদিন ঘণ্টার পর ঘণ্টা সোশ্যাল মিডিয়ায় না কাটিয়ে বই পড়ার অভ্যাস তৈরি হলে ভাল। টিভি দেখার সময় কমিয়ে খবরের কাগজ, ম্যাগাজিন খুলে বসা ভাল। দিনে যতবার মোবাইল অ্যাপ খোলেন সেই সময় কমিয়ে ভাল বই পড়ে তার সারাংশ লিখে রাখলে চিন্তাশক্তি ও জানার ক্ষেত্রটা আরও প্রসারিত হবে। How to Exercise if You Have an Ectomorph Body Type | Everyday Health ১৪) নিজেকে খেয়াল করেছেন কখনও আর পাঁচজন কীভাবে থাকছে, কী খাচ্ছে, তাদের জীবনে কী কী হচ্ছে এইসব খেয়ালই বেশি রাখি আমরা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নিজের খেয়াল আগে রাখতে হবে। রেগে গেলে আমরা কীভাবে ব্যবহার করি, আনন্দ পেলে তার বহিঃপ্রকাশ কেমন হয় সেটা খেয়াল করি না কোনওদিনই। রাগ, দুঃখ, বিরক্তিতে নিজের চারপাশের মানুষজনের সঙ্গে কেমন ব্যবহার করছি সেটা আগে লক্ষ্য করা দরকার। নিজেকে বদলাতে পারলেই জীবন বদলে যাবে। ১৫) ‘না’ বলা শিখতে হবে কিছু সময় না বলা শিখতে হবে। সবেতেই মাথা নাড়লে খুব মুশকিল। সম্পর্ক হোক বা প্রতিদিনের কাজ, গুরুত্ব বুঝে তার সিদ্ধান্ত নিতে হবে। কে কী ভাববে সেটা মনে না করে সরাসরি না বলার অভ্যাস তৈরি করতে হবে। ১৬) খারাপ চিন্তাগুলোকে বলুন গুডবাই ভাল ভাবনা, পজিটিভ চিন্তা জীবনকে সুন্দর করে তোলে। খারাপ ভাবনা এলেই মন অন্যদিকে নিয়ে যেতে হবে। কীভাবে মনকে বশে রাখবেন তার চেষ্টা রোজকার জীবনেই করতে হবে। সারাদিনে যত খারাপ ভাবনা আসবে সেগুলো একদিকে সরিয়ে রেখে, ভাল চিন্তা করতে হবে। তাহলে যে কোনও কাজ সঠিকভাবে হবে। ১৭) চিন্তা শুধু মনে নয় তার প্রতিফলন হবে কাজেও যতক্ষণ না ভাবনাকে বাস্তবের মাটিতে ফেলা যায় ততক্ষণ তার কোনও মূল্য থাকে না। স্বপ্নকে সত্যি করতে হলে শুধু কিছু চিন্তার সমষ্টি মনে রেখে দিলেই চলবে না, বাস্তবে তার প্রয়োগ কীভাবে হতে পারে সেই পরিকল্পনাও ঠিক করতে হবে। ১৮) অল্পেই সন্তুষ্ট নিজের হাতের কাছে যা আছে, যতটুকু আছে তাকেই ব্যবহার করা শিখতে হবে। অল্পে সন্তুষ্ট থাকার অভ্যাস তৈরি করতে হবে। যেমন, বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রাতের খাবার ফ্রিজেই আছে তাও বাইরে থেকে খাবার অর্ডার করি আমরা। এতে খাবারের অপচয় যেমন হয় তেমনি অপুষ্টিকর খাবার শরীর ও মনেও ছাপ ফেলে। বাড়তি জিনিসের ইচ্ছা যতটা ত্যাগ করা যায় ততই ভাল, সে যে কোনও দিকেই হোক। ১৯) এক গ্লাস জল বেশি খান দিনে কতটা জল খাব এই ভাবনা না ভেবে, যখন জল খাচ্ছেন আরও এক গ্লাস বেশি খেয়ে নিন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটাও একটা অভ্যাস। রোজকার রুটিনে গুছিয়ে নিলে লাভ হবে অনেক বেশি। ২০) একটা স্ন্যাকস না হয় বাদই দিলেন দিনে যদি চার পাঁচ রকমের ভাজাভুজি বা বাইরে থেকে কেনা স্ন্যাকস খাওয়ার অভ্যাস থাকে, তাহলে একদিন না হয় একরকমের পদ বাদই দিলেন। পরদিন আরও একটা। এইভাবে একটু একটু করে অপুষ্টিকর খাবারের দিকে ঝোঁক কমবে। আসলে জীবনে বদল আনতে গেলে শুধু মনকে বশে রাখলেই চলবে না, শরীরের খেয়ালও রাখতে হবে। শরীর ও মন একসঙ্গে ফুরফুরে থাকলেই জীবনের গাড়ি তরতরিয়ে চলবে। How to Make a Website More Engaging and Responsive? ২১) নিজের অনলাইন পোর্টাল বানিয়ে ফেলুন আজই সাধারণ মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়াতে হবে। পাঁচজনের ভাবনা জানতে হবে, বুঝতে হবে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সোশ্যাল মিডিয়ায় সময় নষ্ট না করে নিজের অনলাইন পোর্টাল বা ওয়েবসাইট খুলে ফেলুন। সেখানে সৃজনশীল পোস্ট করুন। নিজের লেখা বা ভাবনা শেয়ার করুন। আর পাঁচজনের মতামত নিন। ব্লগ লেখাও শুরু করতে পারেন। এতে নিজেকে সপ্রতিভ মনে হবে। মনের দরজাও খুলবে। জটিলতা কমবে। মানসিক চাপ, অবসাদ, উদ্বেগ কখনও বাসা বাঁধবে না মনে। ২২) প্রতিদিন নিজেকে এই প্রশ্ন করুন সকালে ঘুম থেকে উঠে প্রতিদিন নিজেকে এই প্রশ্ন করুন, “আজ কীভাবে নিজের জীবনে বদল আনব?” রোজকার দিনে এই অভ্যাস তৈরি করতে হবে। প্রতিদিন যদি নতুন নতুন কাজে নিজেকে চমকে দেওয়া যায়, তাহলেই বুঝতে হবে লক্ষ্যের পথে অনেকটা এগিয়ে গেছেন আপনি। রোজই একটা করে নতুন অভ্যাস পরিপূর্ণতার দিকে নিয়ে যাবে খুব তাড়াতাড়ি।

```