ডিভোর্সের মামলা চলাকালীন স্ত্রীর ফোনে আড়ি পাততে গিয়ে গ্রেফতার স্বামী
দ্য ওয়াল ব্যুরো: স্বামী-স্ত্রীর ডিভোর্সের মামলা চলছে, কিন্তু ক্রাইম ব্রাঞ্চের তদন্তে ধরা পড়ল স্বামীর অন্য কীর্তি। ডিভোর্সের মামলা চলাকালীনই স্ত্রীর মোবাইন ফোনে আড়ি পাতছেন স্বামী।। শুধু তাই নয়, খুব সহজেই পেয়ে যাচ্ছেন স্ত্রীর কল ডিটেল রেকর্
শেষ আপডেট: 17 January 2019 18:30
দ্য ওয়াল ব্যুরো: স্বামী-স্ত্রীর ডিভোর্সের মামলা চলছে, কিন্তু ক্রাইম ব্রাঞ্চের তদন্তে ধরা পড়ল স্বামীর অন্য কীর্তি। ডিভোর্সের মামলা চলাকালীনই স্ত্রীর মোবাইন ফোনে আড়ি পাতছেন স্বামী।। শুধু তাই নয়, খুব সহজেই পেয়ে যাচ্ছেন স্ত্রীর কল ডিটেল রেকর্ড, চলছে ফোন নাম্বার ট্র্যাকিংও। আর এই গোটা কাণ্ডে স্বামী কেতন বুন্দেলাকে সাহায্য করছেন একজন পুলিশ অফিসার বলেও সন্দেহ। ঘটনাটি মহারাষ্ট্রের থানে এলাকার। সমস্ত প্রমাণ নিয়ে বৃহস্পতিবারই কেতন সহ তিন জনকে গ্রেফতার করে থানে পুলিশ। তবে এখনও সাহায্যকারী পুলিশ অফিসারের খোঁজ মেলেনি।
২০১১ সালে সুরজিৎ কউরের সঙ্গে বিয়ে হয় কেতন বুন্দেলার। ওই বছরই স্বামীর বিরুদ্ধে অত্যাচারের অভিযোগ আনেন স্ত্রী সুরজিৎ কউর।স্বামীর ঘর ছেড়ে বাবার বাড়িতে থাকতে শুরু করেন তিনি। সেই বছরই তাঁদের ডিভোর্সের মামলা শুরু হয়।সুরজিতের অভিযোগ ওই বছর থেকেই তাঁর মোবাইল ফোন নম্বর ট্র্যাক করা শুরু করেন কেতন। কিন্তু, গত কয়েক বছর ধরে পুলিশের সাহায্যে সুরজিতের কল ডিটেল রেকর্ডও কেতনের হাতে আসে। শুরু হয় ফোন ট্যাপিংও। ডিভোর্স চলাকালীন স্ত্রীর কল রেকর্ড ডিটেল খতিয়ে দেখা দণ্ডনীয় অপরাধ। অথচ ডিভোর্সের মামলায় সুরজিতকে বিপাকে ফেলতে তাঁর কল রেকর্ড ডিটেল দেখা, ফোন ট্যাপিং বছরের পর বছর চালিয়ে যাচ্ছেন স্বামী কেতন কউর। ঘটনাটি জানতে পেরেই তদন্তে নামে থানে ক্রাইম ব্রাঞ্চ।
মন জুড়ে সন্তানের শৈশব, তরুণী মেয়েকে খুঁজতে এখনও কিন্ডারগার্টেনে যান স্মৃতিহারা বৃদ্ধা
পুলিশের ভিতরের কেউ এই বিষয়ে কেতনকে সাহায্য করছে বলে সন্দেহ হয় ক্রাইম ব্রাঞ্চ অফিসারের। এমনকী, স্ত্রী সুরজিৎ কউরও জানান যে ভাবে তাঁর ফোন নম্বর ট্র্যাক করছেন কেতন, কোনও পুলিশ অফিসার সাহায্য না করলে কাজটা এতটা সহজ ভাবে করা যায় না। পুলিশের সাহায্য ছাড়া কল রেকর্ড ডিটেল সাধারণের কাছে আসতে পারে না। সেই সন্দেহের জেরেই খুব গোপনে তদন্ত চালিয়ে যায় থানে ক্রাইম ব্রাঞ্চ।
তবে, সেই পুলিশ অফিসারের খোঁজ এখনও না মিললেও সুরজিতের কল ডিটেল রেকর্ড সহ কেতন, তাঁর বন্ধুদের গ্রেফতার করেছে পুলিশ।পুলিশ সূত্রে খবর, বিয়ের পর থেকে স্ত্রী সুরজিতের উপর কেতনের অকথ্য অত্যাচার শুরু হয়। এমনকী নিজের ভাইয়ের সঙ্গে স্ত্রীকে শারীরিক সম্পর্কে যেতে বাধ্য করেন কেতন। যা সহ্য করতে না পেরেই কেতনের বাড়ি ছাড়েন সুরজিৎ। শুরু হয় ডিভোর্সের মামলা। জানা যাচ্ছে, টাকার জোরেই এতদিন ধরে ডিভোর্সের মামলাকে নানাভাবে প্রভাবিত করছেন কেতন। সাজাচ্ছেন মিথ্যে মামলাও। সেই কারণেই কল ডিটেল রেকর্ড খতিয়ে দেখা, ফোন নাম্বার ট্র্যাক কররা শুরিউ করেন কেতন। আপাতত কেতনকে জেরা করেই পুলিশ অফিসারের নাম জানার চেষ্টায় ক্রাইম ব্রাঞ্চ।
আরও পড়ুন-
https://www.four.suk.1wp.in/news-international-man-jumps-from-11th-floor-of-cruise-ship-for-insta-video/